ফুটবলের দেশ ব্রাজিল, যেখানের অনেক তারকাই গায়ে দিয়েছেন নানা দেশের জার্সি।
দশকের পর দশক ধরে অসংখ্য তারকা তৈরি করার ক্ষেত্র হিসেবে পরিচিত ব্রাজিল। এমনকি বিশ্বজুড়ে জাতীয় দলেও খেলোয়াড় রপ্তানি করে তারা।
ডিয়োগা কস্তা, জর্জিনহো, পেপে, আলকান্তারাদের গোড়া ব্রাজিলে হলেও খেলেছেন অন্য দেশের হয়ে। এর বাইরে ছোট বড় অনেক দেশেই খেলেছেন ব্রাজিলের রক্তের টানে থাকা খেলোয়াড়রা। সম্প্রতি, করিন্থিয়ান্সের সেন্টার ফরোয়ার্ড ইউরি আলবের্তো ইতালিয়ান নাগরিকত্ব পাওয়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছেন এবং তাকে ইতালির জাতীয় দল ‘আজ্জুরা’র নজরদারিতে রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে এবার এক খেলোয়াড়কে নিজেদের ডেরা থেকে ছাড়তে চাচ্ছেনা ব্রাজিল দল। ১৮ বছরের সেই তরুণকে নিয়ে শুরু হয়েছে ব্রাজিল ও ইতালির লড়াই।
ব্রাজিল ফুটবল কনফেডারেশন বা সিবিএফ নজর রাখছে ১৮ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড সামুয়েলে ইনাসিও পিয়ার ওপর। বুরুশিয়া ডর্টমুন্ডে খেলা এই তারকার আছে দুই দেশের নাগরিকত্ব, ব্রাজিলের সাথে খেলতে পারবেন ইতালির হয়েও। তবে কোন দেশই ছাড়তে চাচ্ছেনা তাকে।
ডর্টমুন্ডের একাডেমি বিশ্বের অন্যতম সেরা একাডেমি নামে খ্যাত। হলান্ড, আবামেয়াং, লেওয়ান্ডোয়েস্কি, রুডিগার, বেলিংহাম সহ অসংখ্য তরুণ খেলোয়াড় তারকা হয়ে এসেছেন এই ডর্টমুন্ড থেকে৷ আর সেই দলের যেন নেক্সট বিগ থিং স্যামুয়েল ইনাসিও৷ এর মাঝে বুরুশিয়ার মেইন দলেও অভিষেক হয়েছে তার, খেলেছেন ২ ম্যাচ। ১৮ এর এটাকিং মিডফিল্ডার আছেন বিশ্বব্যাপী আলোচনায়।
২০০৮ সালে ইতালির বার্গামো শহরে জন্ম নেন স্যামুয়েল। এরপর ইতালির আতালান্টায় বেড়ে ওঠেছেন, খেলেছেন ইতালির বয়সভিত্তিক দলে। সামুয়েলে ইনাসিও ইতালির অনূর্ধ্ব-১৫ থেকে অনূর্ধ্ব-১৯ দল পর্যন্ত খেলেছেন। সেখানে সর্বমোট ৩৯ ম্যাচ খেলে আদায় করেছেন মোট ২৩ গোল।
সাম্প্রতিক সময়ে তাকে নিয়ে রিপোর্ট করে
ইতালিয়ান সাংবাদিক জিয়ানলুকা দি মার্জিও, যিনি ইউরোপীয়ান গণমাধ্যম স্কাই স্পোর্টের রিপোর্টার। দি মার্জিওর মতে, দুই দেশ ছাড়াও দুই ক্লাবের নজরে ইনাসিও। বার্সেলোনা ও পিএসজিও ডর্টমুন্ডের বুন্দেসলিগা ম্যাচগুলোতে স্কাউট পাঠাচ্ছে, যাতে কাছ থেকে তারা এই মিডফিল্ডারের পারফরম্যান্স পর্যবেক্ষণ করতে পারে। সব মিলিয়ে যেন ইনাসিও টক অফ দ্যা টাউন
সাম্প্রতিক সময়ে ব্যার্থতার পর ইতালি নতুন করে দল গোছানো শুরু করেছে, সেখানেই দলে নিতে চাচ্ছে ইনাসিওকে। আবার ২০৩০ সালের বিশ্বকাপ পরিকল্পনায় কার্লোর নজরে এসেছেন এই মিডফিল্ডার। এবার দেখা যাক, ১৮ এর তরুণ ইনাসিও বেছে নেন কোন দলকে। তবে যে দলেই খেলেননা কেন, সে দলই তাকে পেয়ে হবে আনন্দিত।




