বাবা লিওনেল আন্দ্রেস মেসি, ফুটবলের জীবন্ত জাদুঘর বললেও ভুল হবেনা তাকে। এক প্রজন্মের লাখ লাখ ফুটবলারের ইচ্ছা ছিল মেসি হওয়া, অন্তত তার সাথে জীবনে একবার মাঠে নামা।
কোটি কোটি মানুষের আবেগ মেসির ঘরে অবশ্য বড় হওয়া সন্তানের মুগ্ধতা মেসিকে ঘিরে নয়। এই প্রজন্মের অন্যতম সেরা তরুণ তারকা লামিন ইয়ামালকে নিয়ে।

১৮ বছর বয়সী লামিন ইয়ামাল নজর কেড়েছেন অনেক তরুণের। এর মাঝে কেড়ে নিয়েছেন স্পটলাইটও।
আর সেটা সারাবিশ্ব কাপিয়ে গেছে স্বয়ং লিওনেল মেসির ঘরে। যেখানে মেসিপুত্র থিয়োগা মেসির আগ্রহেও এসেছেন তিনি।
যে কারণে আগামী দিনে ইয়ামালের সাথে খেলার আগ্রহ প্রকাশ করলেন থিয়োগা মেসি।
বাবার মত বার্সেলোনার নাম্বার টেন জার্সি গায়ে জড়িয়েছেন ইয়ামাল। বাবা এক সময় ইয়ামালদের পথপ্রদর্শক ছিলেন, সেই ইয়ামালরা এবার জুনিয়ার মেসিদের দেখাচ্ছেন আশার আলো। যে কারণে এবার ইয়ামালদের ঘিরে স্বপ্ন দেখছেন থিয়োগা মেসি।
বাবা ও ইয়ামালের মত মেসি পুত্রের স্বপ্নও ঐ লাল নীল জার্সি গায়ে দেওয়া। বার্সেলোনার হয়ে মাঠ মাতাতে আগ্রহী থিয়োগা মেসিও।
মেসিপুত্র ফুটবলটা খেলেন নিয়মিতই। আর সেখানে স্বপ্ন দেখেন একদিন বার্সার হয়ে লামিন ইয়ামালের পাশেই খেলবেন তিনি।
একইসাথে আর্জেন্টিনার হয়ে খেলার স্বপ্নটাও দেখেন এই কিশোর। বাবা লিও আর্জেন্টিনার হয়ে শিরোপা জিতেছেন, সেই ধারায় আলভিসেলেস্তাদের ভবিষ্যৎ বনে যেতে চাইবেন থিয়োগা। তবে বাবার প্রতি মহাত্মা স্বীকারও করলেন থিয়োগা।
সেখানে জানিয়ে দিলেন, নিজের খেলা দেখার সময় যতটা নার্ভাস থাকেন তিনি, এমনটা হয়না বাবার খেলা দেখার সময়।
বাবা পা বায়ে বিশ্ব মাতিয়েছেন, তবে থিয়োগা স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন ডান পায়ে। বাবা পুত্রের অমিল থাকলেও বাবার দেখানো পথেই অবশ্য যেতে চান কিশোর মেসি।
নিয়ে থিয়োগা বলেন “ আমি নিজে খেলতে নামলে, বাবার খেলা দেখার সময়ের চেয়ে বেশি নার্ভাস থাকি।
আমার বাম পা-ও ততটা ভালো না। “ থিয়াগো জাতীয় দল ও লামিন ইয়ামালের সম্পর্কে আরও বলেছে, “আমি আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের হয়ে খেলতে চাই। একদিন আমি লামিন ইয়ামালের সঙ্গে একসাথে খেলতে চাই।”
থিয়োগা প্রফেশনাল ফুটবলে খেলেন নিয়মিতভাবেই, আছেন বয়সভিত্তিক পর্যায়ে।
সেখানে একাধিক কীর্তির কথাও শোনা গেছে তার। মেসিপুত্রের বাইরেও আগামী দিনে যেকোন তরুণ ফুটবলারের মত বড় স্বপ্ন থিয়োগা মেসির। আর মেসিপুত্রের সেই স্বপ্নের কেন্দ্রবিন্দুতেই আছেন স্পেনের সুপারস্টার লামিন ইয়ামাল।




