১৮ তারিখ রাতে স্কোয়াড ঘোষণার সময়। তার আগের দিন ক্লাবের হয়ে শেষ ম্যাচটা খেললেন নেইমার জুনিয়ার।
একইদিনে নেইমার জানালেন নিজের অভিব্যাক্তিও। সান্তোস তারকা এতদিন সেভাবে কিছু না বললেও এবার বললেন খোলাখুলি। আর সেখানেই উঠে আসলো তার জার্নির গল্প।
যে জার্নিটা মোটেও সহজ ছিল না নেইমির ভাষায়। যেখানে জানান ভক্তদের সব কথা শুনেও কিভাবে সামলেছেন নিজেকে। কিভাবে করেছেন পরিশ্রম। তবে পরিশেষে তৃপ্তির কথাও জানান এই ব্রাজিলিয়ান। জানান নিজের খুশির কথাও।
করিতিবার সাথে ম্যাচের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন নেইমার। সেখানে নিজের ফিটনেস নিয়ে নেইমার বলেন”
শারীরিকভাবে আমি খুব ভালো অনুভব করছি। প্রতি ম্যাচের সঙ্গে আমি আরও উন্নতি করছি।”
এই সময় নেইমার স্বীকার করেন, ফিরে আসার পথটা মোটেও সহজ ছিল না।
“আমি আমার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি। সত্যি বলতে এটা খুব কঠিন ছিল।”
সমালোচকদের সমালোচনাও যে নেইমারের কানে আসত, সেটাও জানান এই সেলেসাও তারকা। তবে সেইসব একপাশেই রাখার চেস্টা করতেন তিনি। এ নিয়ে নেইমি বলেন “
আমি ঘরে বসে কঠোর পরিশ্রম করেছি। মানুষ যা বলছিল, সেগুলো সহ্য করেছি। শেষ পর্যন্ত আমি সুস্থভাবে ফিরতে পেরেছি, এটাই সবচেয়ে বড় ব্যাপার।”
সবকিছু মিলিয়ে নিজের সন্তোষের কথাই জানান নেইমার। তবে এরপরও বিশ্বকাপে দলে সুযোগ নিয়ে পরিষ্কার কিছু বলেননি এই তারকা।
সেখানে কার্লোর উপর সিদ্ধান্ত ছেড়ে দেন তিনি। সেরা ২৬ জনই যাবে কার্লো নেবেন বিশ্বকাপের জন্য, এটাই মত নেইমির।
“আমি আমার খেলা এবং এখন পর্যন্ত যা করেছি, তা নিয়ে খুশি। যাই হোক, আনচেলত্তি অবশ্যই সেরা ২৬ জন খেলোয়াড়কেই বেছে নেবেন।”
এদিকে করিতিবার বিপক্ষে ম্যাচে একটি অদ্ভুত ঘটনাও ঘটে। ভুলবশত বদলির সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখান নেইমার। মাঠেই রাগ প্রকাশ করতে দেখা যায় তাকে। আর এই ঘটনাটি ঘটেছে ঠিক সেই সময়, যখন বিশ্বকাপ স্কোয়াড ঘোষণার অপেক্ষায় পুরো ব্রাজিল।
অবশ্য খুশি হওয়ার মত কারণও আছে তার। শেষ কয়েক মাসে ইঞ্জুরি আঘাত হানেনি তার। এর মাঝে পারফর্মেঞ্চও ছিল টপ ।
মৌসুমে ১০ গোল এসিস্ট করেছেন ১৫ ম্যাচে। লীগে ৮ ম্যাচে আছে ৬ গোল এসিস্ট। পারফর্মেঞ্চ ফিটনেস দিয়ে ভক্তদের ও কোচদের মন জয় করেছেন। এবার বিশ্বকাপ দলে আসার পালা তার। সেটায় নেইমার কতটা সফল হবেন তা জানা যাবে শীঘ্রি। তবে নেইমার এই জার্নি তরুণদের জন্য অনুপ্রেরণামুলক হয়েই থাকবে।




