ইঞ্জুরি থেকে কাটিয়ে পুরোদমে মাঠে ছিলেন মার্চ মাসে। সেবারই ফেরার সম্ভাবনা তৈরি হয় নেইমার জুনিয়ারের। যে কারণে নিজে দল ঘোষণার সময় থাকেন রাখেন মনযোগও। তবে ফ্রাঞ্চ ও ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে সে স্কোয়াডে ছিলেন না নেইমার জুনিয়ার। আর তাতেই আবেগ আপ্লুত হয়ে যান এই ব্রাজিলিয়ান তারকা। কান্নাজড়িত কন্ঠে নিজের প্রতি বলেন, হে কার্লো আমার নাম কোথায়?
২ মাস পর আবারো স্কোয়াড ঘোষণার পর কাদলেন নেইমার জুনিয়ার। তবে এবার কান্নাটা দুখের নয়, নেইমার কাদলেন সুখের কান্না।।আগেরবার নেইমার কেদেছেন একা। এবার যেন পরিবারের সবাইকে নিয়ে আবেগ আপ্লুত নেইমার।
নিজের পরিবারের সাথে ব্রাজিলের স্কোয়াড দেখছিলেন নেইমার। ফোনে দেখছিলেন কার্লো আনচেলত্তির স্কোয়াড ঘোষণার মুহুর্ত। আর সেখানেই হঠাৎ করে আসে সেই কাঙ্ক্ষিত নাম, নেইমার জুনিয়ার। যে নাম দেখেই খুশিতে মাতোয়ারা হয়ে যায় সবাই। রুমে উঠে উজ্জাপনার বাজনা।
তবে আনন্দ যেন অশ্রুতে এসে মিলে নেইমারের। দলে ডাক পাওয়ার পর বাবাকে জড়িয়ে ধরেন নেইমার। বাবাকে জড়িয়ে ধরে বলেন বাবা আমি পেরেছি। এরপর সেখান থেকে চলে যান মা এর কাছে। মা এর কাছে গিয়েও জড়িয়ে কান্না করেন নেইমার।
সেখানে মাকেও বলেন আমি পেরেছি মা। একইসাথে জানান আমরা পেরেছি মা। আমরা সবাই পেরেছি। নেইমারকে জড়িয়ে ধরে আবেগঘন দেখা যায় তার মা কেও।
এরপর নেইমার চলে যান তার বোনের কাছে। এই সময় তার বোন জানান তিনি তাকে কত ভালোবাসেন। নেইমারও তাকে জানান তার দলে সুযোগ পাওয়ার কথা। সেখানেও তৈরি হয় আবেগঘন মুহুর্ত।
সর্বশেষ নেইমার কোলে তুলে নেন তার কন্যাকে। সেখানে তাকে বলতে থাকেন, দেখো আমরা বিশ্বকাপে যাচ্ছি। সেটা বলে নিজের কন্যাকে নিয়ে যেন উজ্জাপনে মাতেন নেইমার।
সব মিলিয়ে বিশ্বকাপ পাওয়ার মুহুর্তটা পরিবারের সাথে কাটান নেইমি। যেখানে নেইমারের এতদিনের পরিশ্রম, ত্যাগ ও স্বপ্ন রুপান্তরিত হয় আনন্দ অশ্রুতে। যে দলের সর্বোচ্চ স্কোরার তিনি, তাদের হয়েও বিশ্বকাপ দলে ডাক পাওয়া যে তার কাছে কতটা প্রাপ্তির, সেটাই প্রমাণ করে নেইমারের প্রতিক্রিয়ায়।
নেইমারের এই ডাক পাওয়া আনন্দের শুরুর উপলক্ষ। সামনে আরো অনেক কাজ বাকি তার। আগামী ২০ জুলাই ব্রাজিলকে নিয়ে এমন মুহুর্ত উজ্জাপন করতে পারুক নেইমার, এমনটাই প্রত্যাশা করছে কোটি ব্রাজিল ভক্তরা।




