বিশ্বকাপ সামনে রেখে দারুণ শক্তিশালী দল ঘোষণা করেছে স্পেন। অভিজ্ঞতা ও তরুণ প্রতিভার মিশেলে গড়া এই স্কোয়াডকে ইতোমধ্যেই টুর্নামেন্টের অন্যতম বড় দাবিদার হিসেবে দেখছেন ফুটবল বিশ্লেষকেরা। ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নদের দলে এবারও রয়েছে বার্সেলোনা, রিয়াল সোসিয়েদ, ম্যানচেস্টার সিটি ও পিএসজির মতো বড় ক্লাবের তারকারা,তবে নেই মাদ্রিদের কেহই!
গোলরক্ষক বিভাগে আছেন অ্যাথলেটিক ক্লাবের উনাই সিমন, আর্সেনালের ডেভিড রায়া ও বার্সেলোনার জোয়ান গার্সিয়া।
রক্ষণভাগে জায়গা পেয়েছেন আতলেতিকো মাদ্রিদের মার্কোস ইয়োরেন্তে, টটেনহ্যাম হটস্পারের পেদ্রো পোরো, চেলসির মার্ক কুকুরেয়া, বেয়ার লেভারকুসেনের অ্যালেক্স গ্রিমাল্দো, আল নাসরের আইমেরিক লাপোর্তে, বার্সেলোনার পাউ কুবারসি, জিরোনার এরিক গার্সিয়া এবং আলমেরিয়ার মার্ক পুবিল।
মধ্যমাঠে রয়েছেন ম্যানচেস্টার সিটির রদ্রি হার্নান্দেজ, রিয়াল সোসিয়েদাদের মার্তিন জুবিমেন্দি ও মিকেল মেরিনো, পিএসজির ফাবিয়ান রুইজ, বার্সেলোনার পেদ্রি ও গাভি এবং ভিয়ারিয়ালের অ্যালেক্স বায়েনা।
মিডফিল্ডে এক পর্তুগাল ব্যাতিত কোনো দলের তুলনাই হবেনা স্পেনের সাথে।
আক্রমণভাগে আছেন বার্সেলোনার লামিন ইয়ামাল, অ্যাথলেটিক ক্লাবের নিকো উইলিয়ামস, বার্সেলোনার দানি ওলমো ও ফেরান তোরেস, রিয়াল সোসিয়েদাদের মিকেল ওয়ারজাবাল, ভিয়ারিয়ালের ইয়েরেমি পিনো, রিয়াল বেতিসের বোর্জা ইগলেসিয়াস এবং ওসাসুনার ভিক্টর মুনোজ।
অর্থাৎ এটাকেও বেশ শক্তিশালী স্পেন দল।
আগামী ৩০ মে শনিবার লা রোজাসের ‘সিউদাদ দেল ফুটবল’ ট্রেনিং সেন্টারে শুরু হবে স্পেনের প্রাথমিক ক্যাম্প। ৪ জুন ইরাকের বিপক্ষে খেলবে প্রথম আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচ। এরপর ৫ জুন যুক্তরাষ্ট্রের চাটানুগায় মূল অনুশীলন ক্যাম্পের উদ্দেশ্যে উড়াল দেবে দল। বিশ্বকাপের আগে নিজেদের শেষ প্রস্তুতি ম্যাচে মেক্সিকোর পুয়েবলা শহরে পেরুর মুখোমুখি হবে তারা।
১৫ জুন আটলান্টায় কেপ ভার্দের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে স্পেনের বিশ্বকাপ অভিযান। তারুণ্য, অভিজ্ঞতা ও দুর্দান্ত স্কোয়াড গভীরতায় এবার বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন আরও বড় করেই দেখছে লা রোজারা।




