সান মেরিনোর বিপক্ষে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক ম্যাচকে সামনে রেখে ২৩ সদস্যের চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণা করেছেন জাতীয় দলের নতুন প্রধান কোচ থমাস ডুলি। ইউরোপের কোনো জাতীয় দলের বিপক্ষে প্রথমবারের মতো ইউরোপের মাঠেই নামতে যাওয়া বাংলাদেশের স্কোয়াডে সবচেয়ে বড় চমক অভিজ্ঞ গোলরক্ষক আনিসুর রহমান জিকোর প্রত্যাবর্তন।
দীর্ঘ ১৯ মাস পর জাতীয় দলের জার্সিতে ফেরার অপেক্ষায় রয়েছেন জিকো। সর্বশেষ ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে আফগানিস্তানের বিপক্ষে আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে বাংলাদেশের হয়ে খেলেছিলেন তিনি। এরপর একাধিক স্কোয়াডে থাকলেও একাদশে সুযোগ পাননি। ফলে সান মেরিনোর বিপক্ষে ম্যাচে তার প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের রক্ষণভাগের জন্য বড় আত্মবিশ্বাসের কারণ হতে পারে। জিকোর সঙ্গে গোলপোস্টের দায়িত্বে রয়েছেন মিতুল মারমা ও সুজন হোসেন।
আক্রমণভাগে ডুলির সবচেয়ে বড় ভরসা তরুণ ও গতিময় ফুটবলারদের ওপর। ফাহমিদুল ইসলাম, শাহরিয়ার ইমন, ফয়সাল আহমেদ ফাহিম এবং রকিবুল ইসলামকে নিয়ে গড়া হয়েছে ফরোয়ার্ড লাইন। বিশেষ করে রকিবুল ইসলামের অন্তর্ভুক্তি নজর কেড়েছে সমর্থকদের।
মিডফিল্ডে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শক্তি হতে পারেন ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে খেলা হামজা দেওয়ান চৌধুরী। তার সঙ্গে থাকছেন অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া, শমিত সোম, হৃদয়, শেখ মোরসালিন, সোহেল রানা এবং সৈয়দ কাজেম কিরমানী শাহ। অভিজ্ঞতা ও তরুণদের সমন্বয়ে গড়া এই মিডফিল্ড ইউনিট ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।
রক্ষণভাগেও রয়েছে বেশ কিছু নতুন মুখ। তারিক কাজী, তপু বর্মন, শাকিল আহাদ তপু ও বিশ্বনাথ ঘোষের মতো পরিচিত নামের পাশাপাশি সুযোগ পেয়েছেন ইসা ফয়সাল ও তাজউদ্দিন। নতুন কোচের অধীনে এই ডিফেন্স লাইন কতটা সংগঠিত ফুটবল খেলতে পারে, সেটিই এখন দেখার বিষয়।
চূড়ান্ত স্কোয়াড গঠনের পথে প্রাথমিক দল থেকে সাতজন ফুটবলারকে বাদ দিয়েছেন ট
থমাস ডুলি। বাদ পড়া খেলোয়াড়রা হলেন রহমত মিয়া, আব্দুল্লাহ ওমর, শাকিল হোসেন, মঞ্জুরুর রহমান মানিক, মোহাম্মদ ইব্রাহিম, মিরাজুল ইসলাম এবং মিনহাজুল করিম স্বাধীন।
আগামী ৫ জুন সান ম্যারিনোর মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ।




