Homeফুটবলপানামার বিপক্ষে গোল, বিশ্বকাপের মূল একাদশে পাকুয়েতার জায়গা নিশ্চিত!

পানামার বিপক্ষে গোল, বিশ্বকাপের মূল একাদশে পাকুয়েতার জায়গা নিশ্চিত!

- Advertisement -spot_img

গোল করলেন, এসিস্ট করলেন। তবে ব্রাজিলের হয়ে নেমে এদিন লুকাস পাকুয়েতা খেলাটাই বদলে দিলেন। যে মাঝমাঠে ব্রাজিল ভুগতেছিল, সেখানেই পাকুয়েতা দেখালেন আসল জাদু। বিশ্বকাপে এই পাকুয়েতাকেই দরকার ব্রাজিল দলের, এটাকিং মিডে তিনিই হবেন ব্রাজিল দলের আসল সমাধান।

কিছুদিন আগেও দলে ছিলেন না নিয়মিত। বিশ্বকাপে ডাক না পাওয়ার দৌড়ে ছিলেন দীর্ঘদিন। এর মাঝে ইপিএল ছেড়ে ব্রাজিলের লীগে আসা তার সুযোগ কমিয়ে দেয় আরো বেশ।

তবে শেষ মুহুর্তে আন্দ্রে সান্তোসের বদলে তাকে দলে ডাকেন কোচ কার্লো আনচেলত্তি। কেন অনেকটা আলোচনার বাইরে থেকেও পাকুয়েতার দিকে নজর ছিল কার্লোর, সেটার প্রমাণই পাওয়া গেলো পানামার বিপক্ষে ম্যাচে।

৪৬ মিনিটে কার্লোর দলের বদলি হয়ে নামলেন মাঠে। সেখান থেকেই শুরুর পাকুয়েতার জাদু।

একের পর এক ম্যাজিকাল লং বল দিয়েছেন, নিচে নেমে খেলাও নিয়ন্ত্রণ করেছেন। যে মাঝমাঠ প্রথমার্থ ছিল নিষ্ক্রিয়, সেই মাঝমাঠকেই বানিয়ে দেন ব্রাজিলের অস্ত্র। আর তার ফলও পায় ব্রাজিল দল। প্রথমার্থে ধুকতে থাকা ব্রাজিল দ্বিতীয়ার্থে গুণে গুণে দেয় ৪ গোল।

পাকুয়েতা নিজে এক গোল করেন, এক গোলে করেন এসিস্ট। ডিবক্সে তার লেট রানে গোল আসে ম্যাচের ৬৩ মিনিটে।

এর আগে একবার সহজ সুযোগ হারিয়েছিলেন, তবে ৬৩ মিনিটে সুযোগ হেলায় হারাননি। গোল দিয়েছিলেন ঠিকঠাক, দলকে নিয়ে যান বড় জয়ের দিক্ব।

তবে সেখানে থামেনি পাকুয়েতার জাদু। ম্যাচের ৮০ মিনিটে এবার তার বাড়ানো জাদুকরী বলে গোল মিডফিল্ডার দানিলো সান্তোস। জাতীয় দলে সুখের সময় কাটছে দানিলোর, দুই ম্যাচেই করলেন দুই গোল। তবে সেখানে বড় অবদান এই পাকুয়েতারই।

দ্বিতীয়ার্থে ব্রাজিল করেছে মোট ১৭ শট, যার ১১ টি ছিল টার্গেট। এই পরিসংখ্যান প্রথমার্থের চেয়ে প্রায় ৩ গুণ।

পাকুয়েতা নিজে ৩ টি বিগ চাঞ্চ ক্রিয়েট করেন। ইগর, এন্ড্রিকরা যদি ঠিকঠাক ফিনিশিং দিতে পারতেন, তবে এসিস্ট হতে পারত একাধিক। ব্রাজিলও পেতে পারত আরো বড় জয়। এককথায় ব্রাজিলের খেলা বদলে যাওয়ার কারিগর ছিলেন এই ফ্ল্যামেঙ্গো তারকা।

বিশ্বকাপে এই পাকুয়েতা একাদশে রাখার দাবি রাখলেন। একইসাথে মিডফিল্ডের মিসিং পাজল হিসেবেই প্রতিষ্ঠিত করলেন নিজেকে।

এটাকিং মিডে যারাই খেলেন সেলেসাও দলে, তার মুল পরিচয় থাকে এট্যাকার হিসেবে। ফলে বল জোগান ও ক্রিয়েটিভিটি হয়ে পড়ে দুর্বল।

সেখানে পাকুয়েতার এমন পারফর্মেঞ্চ ব্রাজিলের মাঝমাঠকে সচল রাখবে,একইসাথে আক্রমণভাগে দিবে আরো সুযোগ।

ভিনি, রাফিনহা, এন্ড্রিকদের সুযোগ দিলে কি হতে পারে, সেটা জানা সবারই। বিশ্বকাপের আগে তাই কার্লোর সফল এক্সপেরিমেন্টের নাম পাকুয়েতা, যাকে এবার বিশ্বকাপে কাজে লাগানোর পালা এই কোচের।

- Advertisement -spot_img
- Advertisement -spot_img
Stay Connected
16,985FansLike
2,458FollowersFollow
61,453SubscribersSubscribe
Must Read
- Advertisement -spot_img
Related News
- Advertisement -spot_img

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here