বাংলাদেশ ক্রিকেটে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে বেশিরভাগ সময় থাকেন না তিনি। তবে ধারাবাহিক পারফরম্যান্স, গতি আর নিয়ন্ত্রিত বোলিং দিয়ে নীরবে নিজের অবস্থান শক্ত করেছেন হাসান মাহমুদ। সেই পরিশ্রমেরই বড় পুরস্কার পেলেন জাতীয় দলের এই পেসার।
একই দিনে দুটি সুখবর পেয়েছেন হাসান। শ্রীলঙ্কা প্রিমিয়ার লিগের ড্রাফটে দল পাওয়ার পাশাপাশি ইংল্যান্ডের কাউন্টি ক্রিকেট থেকেও এসেছে খেলার প্রস্তাব।
সবকিছু ঠিক থাকলে সাকিব আল হাসান ও মোস্তাফিজুর রহমানের পর তৃতীয় বাংলাদেশি ক্রিকেটার হিসেবে কাউন্টি ক্রিকেটে মাঠে নামবেন তিনি।
সম্প্রতি চোটের কারণে কিছু সময় মাঠের বাইরে থাকতে হয়েছিল হাসানকে। পুনর্বাসন শেষে আবারও প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি। মাঠে ফেরার আগেই ক্যারিয়ারে এলো দুটি বড় সুযোগ।
দেশীয় সংবাদমাধ্যম ডেইলি সানকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে হাসান বলেন, একই দিনে ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট ও কাউন্টি ক্রিকেট থেকে ডাক পাওয়া তার জন্য বিশেষ এক অনুভূতি।
তিনি এটিকে দীর্ঘদিনের ধৈর্য ও পরিশ্রমের ফল বলেও উল্লেখ করেন।
কাউন্টি ক্রিকেটে সুযোগ পাওয়ার পেছনের গল্পও জানিয়েছেন এই পেসার। ইংল্যান্ডে অবস্থানকালে একটি ক্লাবের সঙ্গে অনুশীলন করেছিলেন তিনি।
সেখানে তার বোলিংয়ে মুগ্ধ হন কোচ ও ম্যানেজমেন্ট। ইতোমধ্যে স্পোর্টস ভিসা হাতে পেয়েছেন হাসান। এখন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের অনাপত্তিপত্র পেলে চলতি মৌসুমেই কাউন্টি ক্রিকেটে কয়েকটি ম্যাচ খেলতে চান তিনি।
জানা গেছে, ইংলিশ কাউন্টি দল কেন্টের হয়ে খেলবেন হাসান মাহমুদ। অন্যদিকে শ্রীলঙ্কার ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটেও সুযোগ পাওয়ায় তার সামনে খুলে গেছে আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা অর্জনের নতুন দুয়ার।
নীরবে নিজের কাজ করে যাওয়া এই পেসারকে নিয়ে এখন আগ্রহ দেখাচ্ছে বিদেশি ফ্র্যাঞ্চাইজি ও কাউন্টি দলগুলোও। বাংলাদেশের পেস আক্রমণের এই নির্ভরযোগ্য মুখের জন্য এটি নিঃসন্দেহে বড় স্বীকৃতি।
প্রসঙ্গত ইংল্যান্ডের ঐতিহ্যবাহী কাউন্টি ক্রিকেট লীগে শুধুমাত্র সাকিব আল হাসান ও মুস্তাফিজুর রহমানই খেলেছেন বাংলাদেশ থেকে,সেখানে তৃতীয় নাম হতে যাচ্ছে হাসান মাহমুদের!




