স্পেন, পর্তুগাল ও মরক্কোর যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত হবে ২০৩০ বিশ্বকাপ। তবে টুর্নামেন্টের সবচেয়ে আকর্ষণীয় ম্যাচ, অর্থাৎ ফাইনাল কোথায় হবে, সেটি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নির্ধারণ করেনি ফিফা।
এর মধ্যেই মরক্কোর দাবি জোরালোভাবে সামনে এনেছেন লেকজা।
বুজ়নিকার একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি জানান, বেনস্লিমান প্রদেশেই ২০৩০ বিশ্বকাপের ফাইনাল আয়োজনের সম্মান আসবে বলে তিনি আশাবাদী।
সেখানে নির্মাণাধীন গ্র্যান্ড স্টেড হোসান ২ কে ফাইনালের সম্ভাব্য ভেন্যু হিসেবে সামনে রাখা হচ্ছে।
তবে লেকজার বক্তব্যের সবচেয়ে চমকপ্রদ অংশ ছিল ফাইনালে সম্ভাব্য দুই দল নিয়ে তার ইচ্ছা।
তার প্রত্যাশা, শিরোপার লড়াইয়ে মুখোমুখি হবে স্বাগতিক মরক্কো ও ফ্রান্স। এমনকি এই ম্যাচকে তিনি প্রতিশোধ নেওয়ার সুযোগ হিসেবেও দেখছেন।
লেকজা বলেন, ইনশাআল্লাহ এমন একটি ফাইনাল হোক, যেখানে মরক্কো ও ফ্রান্স মুখোমুখি হবে, যাতে মরক্কো নিজেদের প্রতিশোধ নিতে পারে।
তার এই মন্তব্যে অনুষ্ঠানে উপস্থিত দর্শকদের মধ্যেও ব্যাপক উচ্ছ্বাস দেখা যায়।
লেকজার এমন প্রত্যাশার পেছনে রয়েছে ২০২২ কাতার বিশ্বকাপের স্মৃতি। সেবার সেমিফাইনালে ফ্রান্সের কাছে হেরে বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠার স্বপ্ন শেষ হয়ে গিয়েছিল মরক্কোর।
ইতিহাসের প্রথম আফ্রিকান দল হিসেবে শেষ চারে উঠে নজর কাড়া মরক্কো শেষ পর্যন্ত ২ ০ গোলে হেরে যায় ফরাসিদের কাছে।
এবার অবশ্য ফাইনালে মুখোমুখি হওয়ার সেই স্বপ্ন বাস্তবায়িত হবে কি না, তা সময়ই বলে দেবে। তবে ফাইনাল আয়োজনের ক্ষেত্রে মরক্কোর হাতে রয়েছে বড় একটি সম্ভাবনা।
বেনস্লিমান এলাকায় নির্মাণাধীন গ্র্যান্ড স্টেড হোসান ২ তে প্রায় ১ লাখ ১৫ হাজার দর্শক বসতে পারবেন। পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০২৭ সালের মধ্যে স্টেডিয়ামটির নির্মাণ শেষ হওয়ার কথা।
ফাইনালের ভেন্যু নিয়ে মরক্কোর প্রতিদ্বন্দ্বী স্পেনও পিছিয়ে নেই। মাদ্রিদের সান্তিয়াগো বার্নাবেউ ও বার্সেলোনার স্পটিফাই ক্যাম্প ন্যু রয়েছে আলোচনায়।
ফলে ২০৩০ বিশ্বকাপের ফাইনাল আয়োজনের লড়াই যেমন জমছে, তেমনি মরক্কো ফাইনালে খেলবে এমন স্বপ্নও এখন থেকেই দেখছেন দেশটির ফুটবল কর্তারা।




