রবার্টো সানচেজের বিকল্প হিসেবে এই মৌসুমে এসেছেন প্রিমিয়ার লীগের ক্লাব চেলসিতে। এস্টন ভিলা থেকে চেলসিতে নতুন ঠিকানা পেয়েছেন আর্জেন্টাইন এমিলিয়ানো মার্টিনেজ।
কিন্ত সেখানে এসে একের পর এক গোল হজম করে দলকে ডুবিয়ে যাচ্ছেন এমিলিয়ানো। জায়ান্ট ক্লাব চেলসির হয়েও ৪ ম্যাচে এমির জয় মাত্র একটি, হেরেছে দল ৩ ম্যাচে।
আর্জেন্টিনার এই বাজপাখি খ্যাত গোলরক্ষক ৩ ম্যাচে হজম করেছে মোট ১০ গোল। অথচ এই সময়ে আর্সেনাল বাদে বড় কোন দলের সাথেও খেলেনি চেলসি।
সর্বশেষ ম্যাচে তো সবচেয়ে করুণ দশা এমির। এবার তো তাকে থ্রি পিস দিয়ে দিলো প্রতিপক্ষ ব্রাইটন।
ইংল্যান্ডের এই মিড টেবিলের ক্লাবের কাছেই ধরাশয়ী চেলসি। ৩-০ গোলে হারের মধ্য দিয়ে টেবিলের ৭ নাম্বারে চলে গেছে তারা। জাভি আলান্সোর দলে এসে দলের উন্নতি দূরে থাক, নিজের পারফর্মেঞ্চটাই ঠিকঠাক করতে পারছেননা আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক।
পারফর্মেঞ্চের গ্রাফ এতটাই নিম্নমুখী যে, এমির পারফর্মেঞ্চে ক্ষোভ জানিয়েছেন তার সতীর্থই। এমির সামনে গিয়েই ঝেড়েছেন তার ক্ষোভ, এমনকি ম্যাচ চলাকালেই তাকে গিয়ে কড়া ভাষায় কথা বলেছেন দলের অভিজ্ঞ সতীর্থ হ্যান্ডারসন।
এই মৌসুমে চেলসিতে আসা হ্যান্ডারসন সরাসরি এমিকে বলেন ম্যাচের সবচেয়ে বাজে খেলোয়াড়। এমনকি ম্যাচে এমিই চাপ তৈরি করছেন বলেও জানান এই মিডফিল্ডার।
এমিকে সরাসরি পুর্বের গোলরক্ষকের সাথে তুলনা দেন হ্যান্ডারসন। পুর্বে থাকা রবার্টো সানচেজকে বিক্রি করেই আনা হয়েছে এমিলিয়ানো মার্টিনেজকে।
কারণ হ্যান্ডারসনের মতে চেলসি দলের আশা ছিল এমি ভালো করবেন সানচেজের থেকে। কিন্ত এমির সহজ সব গোল হজম করা পোড়াচ্ছে এই মিডফিল্ডারকে। এমির থেকে আশা ছিল তিনি দারুণ সব সেভ দিয়ে দলকে জয় উপহার দিবেন।
কিন্ত এমির পারফর্মেঞ্চ উলটো দলকে চাপে ফেলে দেয় বলেই মত ইংলিশ মিডফিল্ডারের।
ম্যাচ চলাকালীন সময়ে এস্টন ভিলা প্রথম গোল হজম করলে এমনটাই বলেন হ্যান্ডারসন।। এমিকে গিয়ে তিনি বলেন “ আমি তার দিকে সরাসরি চলে যাই, গিয়ে বলি এমি তুমি অনেক সহজ গোল হজম করছ।
চেলসি সানচেজকে ছেড়ে তোমাকে এনেছিল কারণ তারা বিশ্বাস করেছিল তারা উন্নতি করবে। কিন্ত আমরা এখন কি দেখতেছি? তুমি এরকম গোল কিভাবে হজম করো। আশা ছিল তুমি একের পর এক গোল সেভ দিয়ে ম্যাচ জিতাবে। কিন্ত তুমি তো ম্যাচে চাপে ফেলছ আমাদের। পিচে তুমিই সবচেয়ে বাজে খেলোয়াড়”
সব মিলিয়ে চেলসিতে এসে যেন নিজের সেরাটাই বের করতে পারছেননা আর্জেন্টাইন এমিলিয়ানো। এমনটা চলতে থাকলে ক্লাব ও জাতীয় দলে যে এমির নাম্বার ওয়ান হওয়া সরে যেতে পারে, সেটা অনেকটা অনুমান করাই যায়।




