মাঝমাঠে তারকার মেলা, আক্রমণভাগও ঠিকঠাক। তবে আশিয়ানে বাংলাদেশের দুশ্চিন্তার জায়গা হতে পারে ডিফেন্স লাইন।
এই জায়গায় গড়ে দিতে পারে ম্যাচের পার্থক্য। তাই থমাস ডুলির দলকে ম্যাচের আগেই ডিফেন্স লাইন নিয়ে নিতে হবে সঠিক সিদ্ধান্ত।
আর সেখানেই কারা খেলবেন, এটাই আলোচনা দর্শক মহলের কাছে।
গোলবারে প্রথম পছন্দ হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে আছেন মিতুল মার্মা। জাতীয় দলের হয়ে নিয়মিত খেলেছেন তিনি। ডুলির অধীনে গোলবার সামলানোর অভিজ্ঞতাও রয়েছে।
তবে মিতুলের ফর্ম ও তার ভুল করা তাকে পিছিয়ে রাখতে পারে কিছুটা। যে কারণে তাকে নিয়ে সমালোচনাও আছে অনেক৷ তবে মেহেদী হাসান শ্রাবণও আলোচনার বাইরে নন।
তরুণ এই গোলরক্ষক ক্যাম্পে নিজের সামর্থ্য দেখানোর সুযোগ পেয়েছেন। সাম্প্রতিক পারফর্মেঞ্চের জন্য যদি তিনি প্রথম পছন্দের গোলরক্ষক হন, সেটা থাকবেনা অবাক করার কিছু।
ডিফেন্সে সবচেয়ে বড় ধাক্কা তপু বর্মণের চোট। চোটের কারণে তিনি ইন্দোনেশিয়া যেতে পারছেন না।
একই সঙ্গে বিশ্বনাথ ঘোষও হ্যামস্ট্রিং চোটে ছিটকে গেছেন। ফলে ডুলিকে নতুন সমীকরণে সাজাতে হচ্ছে রক্ষণভাগ।
সেন্টারব্যাকের এক জায়গায় অভিজ্ঞ তারিক রায়হান কাজী থাকার সম্ভাবনা বেশ জোরালো।
তার সঙ্গে শুরু করতে পারেন ইংল্যান্ডপ্রবাসী জিদান আলেক্সান্ডার ইউসুফ। অনূর্ধ্ব-২০ দলের হয়ে খেলে জাতীয় দলের ক্যাম্পে জায়গা করে নেওয়া এই তরুণ এবার সিনিয়র দলের জার্সিতে অভিষেকের অপেক্ষায়।
যদিও শাকিল আহমেদ তপু বা রহমত মিয়ারা আছেন স্কোয়াডে। তবে বর্তমানে আলোচিত ইউসুফে ভরসা রাখতে চাইবেন কোচ।
রাইটব্যাকে বিশ্বনাথ ঘোষ না থাকায় সাদ উদ্দিন এগিয়ে থাকছেন। এই পজিশনে তার অভিজ্ঞতা আছে এবং আক্রমণে উঠে যাওয়ার সামর্থ্যও রয়েছে।
মাঝে অফফর্মে থাকলেও ধীরে ধীরে তা কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করেছেন সাদ উদ্দিন। বিশ্বনাথ ও ইসা ফয়সাল না থাকায় এবার সাদের সামনেই সমালোচকদের মন জয় করার থাকবে সুযোগ।
কাতার লীগে খেলা জায়ান আহমেদ থাকবেন লেফট ব্যাকের বিবেচনায়৷ জায়ানের ক্রস ও তার আক্রমণে ওঠার দক্ষতা এইদিকে বাড়তি শক্তি দিবে বাংলাদেশকে। তার বিকল্প হিসেবে অবশ্য দলে আছেন আব্দুল্লাহ ওমর। তবে তরুণ এই লেফট ব্যাকের এখনই দলের একাদশে সুযোগের সম্ভাবনা বেশ কম
সব মিলিয়ে মালয়েশিয়ার বিপক্ষে সম্ভাব্য ব্যাকলাইন হতে পারেন সাদ উদ্দিন, জিদান ইউসুফ, তারিক কাজী ও জায়ান আহমেদ। আর গোলবারে থাকবেন সেই মিতুল মার্মাই।
তবে ম্যাচের আগে ডুলির শেষ মুহূর্তের সিদ্ধান্তে রহমত মিয়া কিংবা শাকিল আহাদ তপুর মতো অভিজ্ঞরা একাদশে ঢুকে যেতে পারেন। আবার একাদশে আসতে পারেন শ্রাবণও। এবার দেখা যাক, শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতি অনুসারে কাদের ভরসা করেন কোচ ডুলি।




