“ ভালোবাসা অন্ধ। ভালোবাসার মানুষরা চোখে দেখতে পারেনা”। মার্সেন্ট অফ ভেনিসে উল্লেখিত এই শেকসপিয়ারের বিখ্যাত লাইনটাই যেন এবার মনে করাচ্ছেন বাংলাদেশের কোচ থমাস ডুলি।
সারা বাংলাদেশের ভক্তরা সোহেল রানার বিপক্ষে অবস্থান নিলেও ডুলি দাড়িয়েছেন সোহেলের পাশেই। এমনকি সোহেলের ভুলে অন্ধ থমাস ডুলি। যারা সোহেলকে অপছন্দ করেন, তাদের ফুটবল জ্ঞান নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।
মালেশিয়ার সাথে বাংলাদেশ হেরেছে ৩ গোলের বড় ব্যাবধানে। মাঠে সোহেলের পারফর্মেঞ্চ দৃষ্টিকটু লেগেছে দর্শকদের মনে।
কিন্ত ব্যাতিক্রম বাংলার হেডমাষ্টার থমাস ডুলি। ডুলির কাছে দক্ষতার দিক থেকে সোহেল সেরা। যারা সোহেলের সমালোচনা করে, তারা ফুটবল দক্ষতা সম্পর্কে জ্ঞান রাখেননা বলে মত ডুলির। দক্ষতা তাদের কাছে দ্বিতীয় আলাপের বিষয় বলে মত বাংলাদেশ কোচের।
ডুলির কাছে আসলেই সোহেল একজন দুর্দান্ত খেলোয়াড়। যিনি লং বলে দেশের দ্বিতীয় সেরা, আবার তার আছে দুই পায়ে খেলার দক্ষতা।
একটি বাজে দিন গেলেও সোহেলের দক্ষতা নিয়ে যারা প্রশ্ন করে, তারা ফুটবল সম্পর্কে জ্ঞান রাখেনা বলে মত আমেরিকান এই কোচের।
এমনকি তারা দক্ষতার বাইরে আবেগ বা তাদের পছন্দ খেলোয়াড় দ্বারা চালিত হয়, এমনটাও মত ডুলির।
এ নিয়ে এই কোচ বলেন “ সোহেলের চেয়ে শুধু হামজাই লং বল ভালো খেলে। সোহেল দুই পায়েই ভালো খেলে ও তার একটি বাজে দিন যেতেই পারে।
যারা ফুটবল বুঝেনা ও আবেগ এবং নিজেদের খেলোয়াড় দ্বারা পরিচালিত হয়, তারাই সোহেল রানাকে অপছন্দ করে। তাদের কাছে দক্ষতা দ্বিতীয় আলোচনার বিষয়”
হয়ত আপনি বলতে পারেন, নিজ দলের খেলোয়াড়কে টুর্নামেন্টে আগলে রাখার কাজ কোচের। সে কারণে সোহেলকে তীর্যক মন্তব্য থেকে এড়াতে চেয়েছেন।
কিন্ত সেই টুর্নামেন্টে ফুলহ্যাম একাডেমির ওয়ান্ডারকিড ও জাতীয় দলে প্রথম ম্যাচ খেলা ফারহানকেই অপমান করেছেন কোচ ডুলি।
সরাসরি বলেই ফেলেছেন, ওয়ান্ডার কিড ফারহান কি এমন কাজ করে ফেলেছে। কথা না বলে মাঠে কাজে দেখাতে বলেন সাবেক আমেরিকান এই ফুটবলার।
অর্থ্যাৎ কোচের ভাষায় স্পষ্ট ফুটে উঠেছে তার সোহেল রানার প্রতি পক্ষপাতিত্ব এর দিক। শেক্সপিয়ারের কথার মত তাই সোহেলের ভুল দেখছেননা তিনি।
বরং যারা ভুল দেখছে তাদেরকেও তিনি দেখছেন শত্রু হিসেবে। তাই সোহেল ও ডুলির জুটি নিয়ে আগামী দিনে শঙ্কিত অবস্থায়ই থাকবে বাংলাদেশ দল।




