এক কথায় ভয়াবহ, লোমহর্ষক এক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে দ্য হুইসেল।দীর্ঘ সেই প্রতিবেদনে উঠে এসেছে নারীদের প্রতি কোচ কিংবা ম্যানেজমেন্টের অনেক সদস্যদের যৌন লালসার অভিযোগ।
দ্য হুইসেলের ১১ মাসের সেই অনুসন্ধান সংক্ষেপে তুলে ধরার উপায় না থাকলেও, জেলা পর্যায় থেকে জাতীয় দল পর্যন্ত কোচ ও নির্বাচকদের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানি, অনৈতিক প্রস্তাব এবং সুযোগের বিনিময়ে সম্পর্কের চাপ দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
যাদের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ মিলেছে তাদের মধ্যে অন্যতম,
. ইমতিয়াজ হোসেন পিলু: অন্তত ১০ নারী ক্রিকেটারের অভিযোগ, কিশোরী খেলোয়াড়দের জড়িয়ে ধরা, জোর করে চুমু খাওয়ার চেষ্টা ও অনাকাঙ্ক্ষিত স্পর্শ করেছেন তিনি।
এছাড়াও কোচ
রুহুল আমিনের বিরুদ্ধে নারী ক্রিকেটারকে বুকে স্পর্শ, পেছন থেকে জড়িয়ে ধরা এবং ক্রিকেটে সুযোগের বিনিময়ে অনৈতিক ছাড় দেওয়ার ইঙ্গিত দেওয়ার অভিযোগ।
বাদ যাননি সাইফুল ইসলাম খোকনও। পুলিশ দল ও জাতীয় দলে সুযোগ দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে দুই নারী ক্রিকেটারকে শারীরিক সম্পর্কের প্রস্তাব এবং একজনকে জোর করার চেষ্টা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
তাছাড়া সজল আহমেদ চৌধুরীর বিরুদ্ধে অভিযোগ, নির্বাচক হিসেবে ক্ষমতা ব্যবহার করে নারী ক্রিকেটারকে সম্পর্কের প্রস্তাব, প্রত্যাখ্যানের পর দলে সুযোগ না দেওয়া ও হুমকি দেওয়ার অভিযোগ। নারী মাসাজ থেরাপিস্টকেও হয়রানির অভিযোগ রয়েছে।
সবচেয়ে ভয়ানক মঞ্জুরুল ইসলাম মঞ্জু।সাবেক অধিনায়ক জাহানারা আলমকে যৌন সম্পর্কের প্রস্তাব এবং তা প্রত্যাখ্যানের পর মানসিক চাপ ও সুযোগ-সুবিধা কমিয়ে দেওয়ার অভিযোগ। বিসিবির তদন্ত কমিটি দুটি অভিযোগে প্রাথমিক প্রমাণ পেয়েছে,সাংবাদিক রিয়াসাদ আজিমের কাছে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে যা আগেই স্পষ্ট হয়েছিলো।
এছাড়াও তৌহিদ মাহমুদের বিপক্ষে জাহানারা আলমের অভিযোগ, ২০২১ সালে তাকে পরোক্ষভাবে যৌন সম্পর্কের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। প্রত্যাখ্যানের পর মানসিক চাপ ও সুযোগ-সুবিধা কমানো হয়েছিলো।
তবে উল্লেখিত নামগুলোর বিপক্ষে নতুন বিসিবি ব্যবস্থা হিসেবে তাদের দায়িত্ব থেকে সড়িয়েছেন বেশিরভাগ ক্ষেত্রে।তবে অন্যায়টা ফৌজদারি হলেও তেমন কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।




