টুকটাক ফুটবল যারা দেখেন, তাদের কাছে জুড বেলিংহাম খুব পরিচিত এক নাম৷ ক্লাব ফুটবলে তো বটেই, জাতীয় দলের জার্সিতে জুড বেলিংহাম এক আইকনের নাম
। অপরদিকে ভালো করে ফুটবল ফলো করলে অনেকের কাছে জুব বেলিংহামও হবেন পরিচিত এক নাম।
কিন্ত পাড় ফুটবল ভক্তদের কাছেও মার্ক বেলিংহাম ছিলেন অচেনা এক ব্যাক্তি। তবে এবার নিজ যোগ্যতায় যেন নিজেকে জানান দিলেন এই ফুটবলার।
মার্ক বেলিংহামের প্রথম পরিচয় তিনি বিশ্বখ্যাত দুই ফুটবলার জুড ও জুব বেলিংহামের বাবা। আর দ্বীতয়ত মার্ক বেলিংহাম নিজেই একজন ফুটবলার।
তবে নিজ ছেলেদের মত খ্যাতিমান ফুটবলার ছিলেননা তিনি। ইংল্যান্ডের নন বিভাগ লীগে খেলেছেন বহুদিন, সেখানেই গোল করার জন্য পরিচিত ছিলেন।
তবে এবার সেই গোল করার সুযোগ পেয়েছেন ইংল্যান্ডের জার্সি পড়ে। আর সেটা কাজে লাগিয়ে যেন নিজের স্বত্তাই জানান দিলেন মার্ক।
জুড বেলিংহামের বাবা মার্ক বেলিংহামের জন্য দিনটি ছিল বিশেষ। ৫০ বছর বয়সে প্রথমবার ইংল্যান্ডের ওভার-৫০ ভেটেরান্স দলের হয়ে মাঠে নামেন তিনি। ১ নভেম্বর ক্যামব্রিজশায়ারের এলিট ফুটবল কমপ্লেক্সে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে অনুষ্ঠিত ম্যাচে তাঁর দল জয় পায় ১৩-১ গোলের বিশাল ব্যবধানে।
এদিন ম্যাচের শুরু থেকেই একের পর এক গোল করতে থাকেন মার্ক। ম্যাচের শুরুর হাফেই মার্কের পা থেকে আসে মোট ৬ গোল। বিরতির পরও থামেননি এই সাবেক স্ট্রাইকার। দ্বিতীয়ার্ধে নিজের সপ্তম গোলটি করার পাশাপাশি সতীর্থের একটি গোলেও অ্যাসিস্ট করেন। অর্থাৎ দলের ১৩ গোলের মধ্যে সরাসরি আটটিতেই অবদান ছিল তাঁর।
২০১৯ সালে ফুটবল থেকে বিদায় নেন মার্ক বেলিংহাম। বিদায়ের আগেব স্টোরব্রিজ, সুটোন কোল্ডফিল্ড, লিয়ামিংটন সহ নানা ক্লাবে খেলেন বেলিংহাম।
তবে বেশিরভাগ ছিল নন প্রফেশনাল লীগের ক্লাব। যদিও ২৪ বছরের লম্বা ক্যারিয়ারে মার্কের গোল স্কোরার হিসেবে সুনাম ছিল।
পরবর্তীতে নিজের ফুটবলার স্বত্তা ছাপিয়ে হয়ে যান বিখ্যাত ফুটবলারের বাবা। সেখান থেকে এবার যেন নিজের পরিচয় তৈরিই করছেন এই সিনিয়ার বেলিংহাম।
এক ম্যাচে সাত গোল নিসন্দেহে মার্ককেও নিয়ে আসবে আলোচনায়। বেলিংহাম ব্রাদার্সদের ফুটবল প্রতিভার উৎস নিয়েও হবে আলোচনা।
নিজে ফুটবল অঙ্গনে তেমন ভালো না করলেও ছেলেদের ফুটবলার বানানোর জন্য বেশ কাঠখড় পোড়ান মার্ক।
এমনকি ছেলেদের ছোটবেলার কোচও ছিলেন তিনি। এবার দুই ছেলের সাথে মার্কও পড়লেন ইংল্যান্ডের জার্সি, আর তাতেই জ্বলে উঠলেন দেশের হয়ে। নিসন্দেহে বেলিংহাম পরিবারের জন্য এমন মুহুর্ত হবে গর্বের।




