৯৭ মিনিটে কলম্বিয়ার বিপক্ষে ভিনির দুর্দান্ত গোল, ব্রাজিলের জয়। যে জয় ব্রাজিলকে স্বস্তি দিয়েছে বটে, তবে পুর্ণাঙ্গ তৃপ্তির নেই সুযোগ। বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে আসল লড়াইটাই যে বাকি আছে এখনও সেলেসাওদের।
কেননা আর্জেন্টিনার বিপক্ষে মমহাগুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে মাঠে নামতে হবে তাদের। আর সেখানে জিততে হলে ৩ টি বড় পরীক্ষা দিতে হবে ব্রাজিল দলকে।
ব্রাজিল দলের মুল পরীক্ষা থাকবে তাদের মাঝমাঠে। কোন সন্দেহ নেই, মাঝমাঠের শক্তিতে ব্রাজিলের থেকে বেশ এগিয়ে আর্জেন্টিনা। সর্বশেষ ম্যাচে উড়ুগুয়ের বিপক্ষে মাঝমাঠ কাজে লাগিয়ে জয় পায় তারা।
সেখানে মাঝমাঠে বরাবরই দুর্বল ব্রাজিল, এছাড়া ফর্মেশনের কারণে মাঝমাঠের সম্পুর্ণ নিয়ন্ত্রণ থাকেনা। এর বাইরে আগামী ম্যাচ থেকে ছিটকে গেছেন ব্রুনো গিমারেজ ও গার্সন।
ব্রাজিল দলের এই মুহুর্তে সেরা দুই মিডফিল্ডার এই দুইজন, যারা করতে পারতেন মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ। আর সেখানে বদলি হিসেবে থাকা আন্দ্রে, জোয়াও গোমেজ বা জোয়েলিংটনদের এই জায়গায় দিতে হবে কঠিন পরীক্ষা।
ব্রাজিলকে পরীক্ষা দিতে হবে ডাগআউটের লড়াইয়ে। যেখানে লিওনেল স্কালোনির মত একজন কোচ থাকবেন। যিনি যেকোন সৈন্য দিয়েই যুদ্ধ জয় করে আসতে পারেন। এত এত ইঞ্জুরিও তার জয়ের হয়না বাধা।
ম্যাচভিত্তিক আলাদা আলাদা পরিকল্পনা করা স্কালোনির সাথে টক্কর দিতে হবে ডরিভালকে। বুদ্ধির লড়াইয়ে স্কালোনিকে হারাতে না পারলেনা আসবেনা সাফল্য। মুখস্থ ট্যাক্টিক্স এর বাইরে কিভাবে দল সাজাবেন ডরিভাল, কিভাবে মাইন্ড গেম খেলবেন স্কালোনির সাথে, ম্যাচের পরিস্থিতি অনুসারে কিভাবে দল সাজাবেন সেটার উপর নির্ভর করছে ব্রাজিলের ফলাফল।
ব্রাজিলকে সর্বশেষ পরীক্ষা দিতে হবে হুলিয়ান আলভারেজকে ঘিরে। লিওনেল মেসি নেই, এতে যে স্বস্তিতে থাকবে ব্রাজিল তার সুযোগ নেই। কেননা আলভারেজকে ঘিরে যেকোন পরিকল্পনা করতে পারেন আর্জেন্টিনার কোচ স্কালোনি। মাঠে আলভারেজের ভার্সিটালিটি ব্রাজিলকে বিপদে ফেলতে পারে। এর বাইরে তার পজিশনিং ও দুরপাল্লার শট ব্রাজিলের জন্য হতে পারে আতঙ্কের কারণ।
সব মিলিয়ে সতর্ক না থাকলে এক আলভারেজ গড়ে দিতে পারে ব্যাবধান।
সব মিলিয়ে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে এই ৩ টি বড় পরীক্ষা দিতে হবে ব্রাজিল দলকে। এবার দেখা যাক, এই পরীক্ষায় কতটা উত্তীর্ন হয়ে আলভিসেলস্তাদের হারিয়ে দিতে পারে ৫ বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।




