বিশ্বের সেরা তিন শু কোম্পানির তালিকায় অন্যতম বড় নাম নাইকি। অনেক বড় বড় ফুটবলারের সাথে চুক্তিবদ্ধ এই কোম্পানিটি।
এবার নতুন জুতো নিয়ে আলোচনায় এই শু কোম্পানিটি। যে জুতোর সাথে জড়িয়ে আছে দুই ব্রাজিলিয়ানের নাম ও ইতিহাস।
ব্রাজিলিয়ান সাবেক নাম্বার নাইন রোনালদো নাজারিওর জন্য ১৯৯৮ সালে প্রস্তুত করা হয় মারকিউরিয়াল আর নাইন ক্লিট।
আর সেটা থেকেই অনুপ্রাণিত হয়ে মার্কেটে আনা হয় নাইকির নতুন শু নাইকি ক্রায়োশট। এছাড়া এই ডিজাইনে ছিল আরও এক ব্রাজিলিয়ানের অনুপ্রেরণা। রোনালদিনহোর টিয়েম্পো লিজেন্ড ১০আর-এর ডিজাইন অনুসারে করা হয় এর ডিজাইন।
এর দুইটি ডিজাইন করা হয়েছে। দুইটি ডিজাইনই বেশ আকর্ষণীয় ও চমকপ্রদ। একটা সাদা রঙের, যার ভিতর আছে গোল্ডেন স্ট্রিপ ও গোল্ডেন রঙের নাইকির সাইন। আরেকটি জুতো করা হয়েছে ধূসর রঙের উপর।
ধূসরের উপর নীলের আবরণ, তার সাথে হলুদ বর্ণের স্ট্রিপ। দুটি জুতোর ডিজাইনই বেশ চমকপ্রদ।
যে কাউকে আকর্ষিত করতে পারে এই ডিজাইন। শুধু ফুটবল মাঠের জন্য নয়, সাধারণ ব্যবহারের জন্য যে কেউ যেকোনো জায়গায় পড়তে পারবেন এই জুতোটি। আর এটাই তাদের আলাদা করে দিয়েছে অন্যদের থেকে।
গ্রীষ্মকালীন এক ট্রেন্ডের অংশ হিসেবে এই জুতো মার্কেটে এনেছে নাইকি। সেখানে তারা এক নতুন থিম দিয়েছে জুতোয়।
গরমে বরফের ভিতর নাইকির নতুন জুতো, আর সেই জুতো যোগ করেছে আলাদা এক উষ্ণতা। এমনটাই মোটো এই বিখ্যাত কোম্পানিটির।
এমন থিম ও মোটোতে আলাদা উদ্দেশ্য আছে নাইকির। কোম্পানির আইস-কুল জুটিতে রয়েছে সাদা এবং ধাতব সোনার সেই চেনা রঙের ছোঁয়া, যা ফিরিয়ে আনে ভাইরাল “Touch of Gold” বিজ্ঞাপনটির স্মৃতি। যে বিজ্ঞাপনটি ইউটিউবের ইতিহাসে প্রথম মিলিয়ন ভিউ অর্জনকারী ভিডিও ছিল।
স্বর্ণের ছোঁয়ার সেই স্মৃতিকে নাইকি তুলে এনেছে তাদের স্নিকারে, যেই স্নিকারে আবার এসেছে ইতিহাসের ছাপ। যেখানে ফুটবল রাজকীয়তা মিশে গেছে স্ট্রিটওয়্যারের সূক্ষ্মতায়।
এছাড়া সাম্প্রতিক সময়ে অ্যাডিডাস তাদের নতুন জুতো বাজারে এনেছে। তাদের সাথে প্রতিযোগিতা করতেই নাইকির এমন আয়োজন বলে শোনা যায়। ২০২৫ সালে তারা তাদের ওয়েবসাইট থেকেই এই জুতো বিক্রি শুরু করবে।
এবার দেখা যাক, রোনালদো-রোনালদিনহোদের ইতিহাস নিয়ে জুতো বাজারে কতটা সাড়া ফেলতে পারে।




