ব্যাক টু ব্যাক শিরোপা জয় করা হলোনা। ফাইনালে তৃপ্তির খাতাও নেই, পারফর্মেঞ্চ যাচ্ছেতাই। তবে এই হতাশাজনক ফাইনালের রেশ কাটছেইনা আর্জেন্টিনার জন্য। আগেই শিরোপা হারিয়েছে দলটি। এবার যেন পড়তে যাচ্ছে শাস্তির মুখে।
ফাইনালের ফলাফল নিয়ে হতাশ হওয়ার পর এবার মাঠের বাইরের ঘটনাও আর্জেন্টিনার জন্য নতুন চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ম্যাচ চলাকালীন ও ম্যাচ শেষে ঘটে যাওয়া কিছু ঘটনাকে কেন্দ্র করেই ফিফার এই তদন্ত। আর সেখানেই শাস্তির মুখে পড়তে পারে আর্জেন্টিনা দল।
ওয়ানফুটবলের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফাইনালে ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলোর বিষয়ে আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক কার্যক্রম শুরু করেছে ফিফা। এ ঘটনায় কী ঘটেছিল, কারা জড়িত ছিলেন এবং সেখানে ফিফার কোনো নিয়ম ভাঙা হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হবে।
মুলত ফাইনালে ম্যাচ পরবর্তী উত্তেজনার জন্যই আসতে পারে শাস্তির ঘোষণা। যেখানে ফাইনাল হারার পর ম্যাচশেষে দুই পক্ষই জড়িয়ে যায় সংঘাতে।
তবে আর্জেন্টিনার পক্ষ থেকে আসে বেশি উশৃংখল আচরণ। বিশেষ করে পারাদেস সহ একাধিক খেলোয়াড় নিজেদেরকে ধরে রাখতে পারেনি, প্রতিপক্ষকে আক্রমণ করে বসে তারা। আর সেই কারণেই এবার ফিফার শাস্তির মুখে পড়তে যাচ্ছে দলটি। মাঠের উত্তেজনাকে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারার ফল দিতে হতে পারে তাদের।
ফিফার তদন্তের পর যদি কোনো নিয়মভঙ্গের প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে দলটির বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। শাস্তির ধরন অবশ্য এখনো নিশ্চিত নয়। পরিস্থিতি ও অভিযোগের গুরুত্ব অনুযায়ী জরিমানা কিংবা অন্য কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।
ফাইনালের মতো বড় একটি ম্যাচের পর এমন তদন্ত নিঃসন্দেহে আর্জেন্টিনা দলের জন্য অস্বস্তিকর।
একটি ম্যাচের ফলাফল নিয়ে যে আলোচনা হওয়ার কথা ছিল, সেখানে এখন যোগ হয়েছে শৃঙ্খলাভঙ্গের প্রসঙ্গ। ফলে ফাইনালের ঘটনাগুলো আবারও আলোচনায় এসেছে।
আর্জেন্টিনার জন্য এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ফিফার সিদ্ধান্ত। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে শাস্তি আসতে পারে। আবার পর্যাপ্ত প্রমাণ না থাকলে কোনো শাস্তি ছাড়াই বিষয়টির সমাপ্তি হতে পারে।
সব মিলিয়ে আর্জেন্টিনার জন্য ২০২৬ বিশ্বকাপ ফাইনাল যেন এখন এক গলায় বেজে থাকা কাটার মত। যেটার আঘাত বারবার বয়েই চলছে তারা, কোনভাবেই যেন পাওয়া যাচ্ছেনা এর থেকে মুক্তি




