২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে,প্যারাগুয়ে মুখোমুখি হয় আর্জেন্টিনার।
আর সেখানে উড়তে থাকা আর্জেন্টিনাকে দুই এক গোলে হারায় প্যারাগুয়ে, শুধু আর্জেন্টিনা নয়,ব্রাজিল ও উরুগুয়েকেও হারের স্বাদ দিয়েছে তারা,কোপা আমেরিকার আগে হারেনি এক ম্যাচেও।
সেই প্যারাগুয়ের বিপক্ষেই নিজেদের কঠিন সময়ে জয় তুলে নিলো ব্রাজিল দল।প্রথম অর্ধে ভিনির এক গোলে এগিয়ে বিরতিতে যায় ব্রাজিল,দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণ পালটা আক্রমণে জমে ওঠে ম্যাচ,তবে প্যারাগুয়ের সামনে আজ সলিড ছিলো ব্রাজিলের ডিফেন্ডাররা।
ফলে কোনো গোল হজম করেনি তারা।
এর আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলার ইঙ্গিত দিয়েই একাদশ সাজান কার্লো,চার ফরওয়ার্ড নিয়ে ঘরের মাঠে নামেন তারা।
খেলেন ৪-২-৪ ফরমেশনে।
যে ফরমেশনেই মেলে সফলতা। শুরুতেই গোল আসে ব্রাজিল দলের। আর্জেন্টিনার বিপক্ষে প্রতিপক্ষের ভুলে গোল পায় ব্রাজিল। এছাড়া শেষ ৪ ম্যাচে এটাই ব্রাজিলের প্রথম গোল। আর সেই গোল আসে দারুণ বিল্ডাপ থেকে।
ম্যাচের ৪৪ মিনিটে আসে সেই কাঙ্ক্ষিত গোল। বল নিয়ে একাধিক ডিফেন্ডারদের সাথে কারিকুরি করেন রাফিনহা। তাদের থেকে বল বের করার চেষ্টা করেন। ফলে খালি হয়ে যায় তাদের পিছনে থাকা স্পেস। যে জায়গা থেকে ৩ জন ডিফেন্ডার রাফিনহাকে আটকাতেই ছিলেন ব্যাস্ত।
এমন সময়ই দৌড়ে আসেন ম্যাথুইস কুনহা। রাফিনহার রাখা ফাকায় বল নিয়ে রান মেক করেন তিনি।
ডিবক্সে অনেকটা ফাকায় পেয়ে যান নিজেকে। বল বাড়ান মাঝখানে। কৃতিত্ব দিতে হবে ভিনিসিয়াসকে।
এই ম্যাচে নিজের গতির ব্যাবহার দেখান ভিনি। এর আগে এই গতিকে কাজে লাগিয়ে একাধিকবার আক্রমণ সাজায় ব্রাজিল।
এরপর দারুণ গতিতে এসে পা ছুয়ে দেন এই রিয়াল মাদ্রিদ উইঙ্গার। আর তাতেই ডেডলক ভাঙে ম্যাচে, গোল আদায় করে ব্রাজিল দল।
প্যারাগুয়ের বিপক্ষে কোপা আমেরিকার ম্যাচে ৪-১ ব্যাবধানে জয় পায় ব্রাজিল দল। সে ম্যাচে একাধিক গোল আসে ভিনির পা থেকে।
এবার আবারো একই প্রতিপক্ষের বিপক্ষে জলে উঠেন ভিনিসিয়াস। এই আসরের অন্যতম সেরা ডিফেন্স প্যারাগুয়ের।
এই ম্যাচেও জমাটবাধা ডিফেন্সে দেখায় লাতিনের দলটি। কিন্ত ব্রাজিলের সম্মলিত আক্রমণে সেটা মুহুর্তে মুহুর্তে কেপে উঠে।
শেষ পর্যন্ত ভেঙে যায় ভিনির কল্যাণে।
ম্যাচে সহজ এক হেড মিস করেন কুনহা। খালি জায়গায় বল পেয়েও হেড দিয়ে বল জালে জড়াতে পারেননি তিনি।
সেটার মাশুলই এসিস্ট করে আদায় করেন সদ্য ইউনাইটেডে যোগ দেওয়া এই এটাকিং মিডফিল্ডার। শেষ পর্যন্ত তার এসিস্টে করা ভিনির গোলই প্রথম জয়ের দেখা মিললো কার্লোর ব্রাজিল অধ্যায়ে।




