Homeফুটবলজিকোকে গোলবারে ফেরানো দরকার?জামালকে মুল্যায়ন করা উচিৎ?আরো বড় কোচ আনা দরকার?

জিকোকে গোলবারে ফেরানো দরকার?জামালকে মুল্যায়ন করা উচিৎ?আরো বড় কোচ আনা দরকার?

- Advertisement -spot_img

২৫ মে রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে শেষ এসাইনমেন্ট ছিল কার্লো আনচেলত্তির। ২৬ মেই ব্রাজিলে আসেন এই কোচ।

অথচ ক্যাম্প শুরু হয় এরও বেশ কয়েকদিন পরে। এই কয়দিন এসে ব্রাজিল ঘুরেছেন কার্লো, দেশটির ফুটবলমিউজিয়াম সহ একাধিক স্থাপনা পরিদর্শন করেছেন। লাতিনের হাওয়া জল বুঝেছেন। এরপর শুরুর ২ ম্যাচেই কার্লো দেখিয়েছেন, পরিবর্তন করতেই সেলেসাওদের দায়িত্ব নিয়েছেন তিনি।

আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনি মাঠে ঘুরে ঘুরে খেলা দেখেন।

এক এক সময় এক দেশেও ভ্রমণ করতে দেখা যায় তাকে। সেখানে বাংলাদেশের কোচ হাভিয়ের কাবরেরা যেন এক চিল গাই।

বাংলাদেশের খেলা হলেই আসেন দেশে। এসে করেন স্বেচ্ছাচারী আচরণ। এরপর চলে যান আবার দেশ থেকে।

দেশের শীর্ষ গণমাধ্যম ঢাকা পোষ্ট এই ব্যাপারে করে পোষ্ট। সেখানে বলা হয় ম্যাচের পরেরদিনই ঢাকা ছাড়েন কোচ। দেশে আসেন ক্যাম্প শুরুর ৭ দিন আগে। এমনকি যেখান থেকে খেলোয়াড় বাছাই করবেন, সেই লীগই ঠিকঠাক দেখেননা কোচ। বরং কিছু ভিডিও নিয়ে ঘোষণা করেন দল।

যে দলে থাকে কিছু অটোচয়েস খেলোয়াড়। ম্যাচের পর ম্যাচ বেঞ্চে থেকেও বা বাজে পারফর্ম করেও তারা টিকে যান দলে।

অথচ অনেক পরীক্ষিত পারফর্মাররা সুযোগ পাননা। একাদশেও দেখা যায় স্বেচ্ছাচারিতা। ফুলব্যাকে পারফর্মেঞ্চ ছাড়া খেলে যাচ্ছেন সাদ উদ্দিন।অথচ এই পজিশনে কি কারণে বাদ পড়লেন ইসা ফয়সাল, সেই জবাব নেই কারো কাছে।

দেশের আরো এক সংবাদমাধ্যম প্রকাশ করে ম্যাচ নিয়ে প্রশ্নে হতশ্রী জবাব কোচের। নানা প্রশ্ন দেখেননি বা তার চোখে পড়েনি এমন জবাব দিয়েছেন কাবরেরা। অথচ এমন গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে তার দেওয়া উচিত ছিল তীক্ষ্ণ দৃষ্টি।

এমনকি বদলি নিয়ে নানা সময় নষ্ট হলেও দৃশ্যপটেও ছিলেন না কাবরের। অথচ ফুটবলের বদলি সহ নানা দিক নির্দেশনা আসে কোচের থেকে।

খেলোয়াড়দের সাথে আলাদা বৈরিতা তৈরি করেন কোচ। সেখানে অধিনায়ক জামাল ভুইয়াকে কোন সুযোগই দেননি।

এর আগের ম্যাচে কর্নারে এসিস্ট করা জামাল পরের ম্যাচে ছিলেন বেঞ্চে। সেখানে ১১ বার কর্নার পেয়েও তাই কাজে লাগাতে পারেনি বাংলাদেশ দল।

ডিসিপ্লিনারি ইস্যুতে বাদ গেছেন জিকো। কিন্ত একই ইস্যুতে বাদ পড়ে দলে ফিরেছেন মোরসালিন। জিকো দলে না থাকতেই পারেন।

কিন্ত একাধিক গণমাধ্যমের মতে এই গোলরক্ষকের সাথে কথাই বলেন না কোচ। দেশের এমন প্রতিভাবান ও পরীক্ষিত একজনের সাথে কোচের এমন আচরণ ভাবায় সবাইকে।

এতকিছুর পর বহাল তবিয়াতে কোচ কাবরেরা। ফুটবলের নবজাগরণের সময়ে সত্যিকারের এই বিষয় নিয়ে ভাবা দরকার বাফুফেকে।

- Advertisement -spot_img
- Advertisement -spot_img
Stay Connected
16,985FansLike
2,458FollowersFollow
61,453SubscribersSubscribe
Must Read
- Advertisement -spot_img
Related News
- Advertisement -spot_img

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here