বিগব্যাসে ডাক পুওয় ১১ জনের মধ্যে ১০ জনেরই এটি প্রথমবার বিবিএল ড্রাফটে অংশ নেওয়া।
একমাত্র ব্যতিক্রম লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেন। গত মৌসুমে হোবার্ট হারিকেন্স তাকে দলে নিলেও বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) চলার কারণে তিনি অনাপত্তিপত্র (এনওসি) না পাওয়ায় অংশ নিতে পারেননি।
ধারণা করা হচ্ছে, এবারও হোবার্ট হারিকেন্স তাকে ধরে রাখার চেষ্টা করবে।
বাকি বাংলাদেশি ক্রিকেটাররা হলেন—শেখ মেহেদী হাসান, মেহেদী হাসান মিরাজ, তানজিম হাসান সাকিব, তানজিদ হাসান তামিম, শামীম হোসেন পাটোয়ারি, তাওহীদ হৃদয়, তাইজুল ইসলাম, হাসান মাহমুদ, মুস্তাফিজুর রহমান ও সৌম্য সরকার।
এদের মধ্যে বেশ কয়েকজন জাতীয় দলের নিয়মিত সদস্য।
বিশেষ নজর এখন মুস্তাফিজুর রহমানের ওপর। বাঁহাতি এই পেসার ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) চমৎকার পারফরম্যান্সের পর এখন সংযুক্ত আরব আমিরাতের আইএলটি-টোয়েন্টিতে খেলার প্রস্তুতিতে রয়েছেন।
ক্রিকেট ডট কম ডট এইউ জানিয়েছে, বিবিএলের এবারের ড্রাফটে মুস্তাফিজ অন্যতম আকর্ষণ। তার অভিজ্ঞতা, ফর্ম এবং টি-টোয়েন্টি দক্ষতার কারণে একাধিক দল তাকে পেতে আগ্রহ দেখাতে পারে।
তবে এ বছরও বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের বিবিএলে খেলার সম্ভাবনার ওপর বড় প্রশ্নচিহ্ন থাকছে। ডিসেম্বর থেকে একসঙ্গে শুরু হবে বিপিএল, আইএলটি-টোয়েন্টি ও দক্ষিণ আফ্রিকার এসএ টোয়েন্টি লিগ।
একই সময়ে তিনটি ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগের সূচি থাকায় অনেক ক্রিকেটারকেই একটি লিগ বেছে নিতে হবে। যার ফলে কেউ বিবিএলে চুক্তিবদ্ধ হলেও এনওসি না পাওয়ার সম্ভাবনা প্রবল।
গত মৌসুমে রিশাদ হোসেনের বিবিএলে খেলা আটকে যাওয়ার মূল কারণও ছিল এই সূচি সংঘাত। এবারের মৌসুমেও একই চিত্র দেখা যেতে পারে।
বিসিবি সাধারণত বিপিএলের সঙ্গে সংঘর্ষ হলে নিজস্ব লিগকে অগ্রাধিকার দেয়। ফলে ড্রাফটে নাম উঠলেও, বাস্তবে কয়জন ক্রিকেটার মাঠে নামতে পারবেন, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে।
বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি লিগে অংশগ্রহণ তাদের অভিজ্ঞতা বাড়ানোর পাশাপাশি বিশ্ব ক্রিকেটে দেশটির প্রতিনিধিত্বও বাড়ায়।
তবে বোর্ডের নীতি ও ঘরোয়া লিগের স্বার্থ রক্ষার কারণে অনেক সম্ভাবনাময় সুযোগ হাতছাড়া হওয়ার আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে।
তবে সবকিছু মিলিয়ে, বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের বিবিএল ড্রাফটে এই ব্যাপক উপস্থিতি নিঃসন্দেহে বড় অর্জন।
এখন দেখার বিষয়, বাস্তবে কতজন অস্ট্রেলিয়ার জমজমাট এই টুর্নামেন্টে মাঠে নামার সুযোগ পান।




