ম্যাচের ২ মিনিটে লুইজের গোলে এগিয়ে এস্টন ভিলা। ঘরের মাঠ ভিলা পার্কে ইপিএলের ক্লাবটির শুরুটা হয় দুর্দান্ত।
তবে ম্যাচের শুরুর সত্যটা আর সত্য হয়ে থাকেনি ভিলার জন্য। পরবর্তীতে চেলসি যা করলো, সেটার আগুণে পুরে অঙ্গার হয়ে গেলো দলটি। যার নেপথ্যের একজনই নায়ক, ব্রাজিলিয়ান স্ট্রাইকার জোয়াও পেদ্রো।
পেদ্রো এমনিতেই ছিলেন দারুণ ফর্মে। চেলসির হয়ে এই মৌসুমে এর আগেই হয়ে গিয়েছিল ২০ গোল এসিস্ট। মাঝে দীর্ঘদিন গোল এসিস্ট পাননি।
তবে এরপর যখন নিয়মিত গোল এসিস্ট পেতে শুরু করলেন, সেখান থেকেই হয়ে উঠলেন অপ্রতিরোধ্য। এবার তো সেখানে করে বসলেন হ্যাট্রিক। পিছিয়ে পড়া ম্যাচে চেলসিও পেলো তাই দাপুটে জয়।
পেদ্রোর গোল উৎসবের শুরুটা আসে ৩৫ মিনিটে। মালন গুস্তোর ডানদিক থেকে বাড়ানো বল, নিজের পজিশন থেকে বলটা পেতে স্লাইড পেদ্রো।
পা ও বলের মাঝে কানেকশনটা হয় ঠিকঠাক, ফল জালে জড়ায় জাল। চেলসি পায় সমতাসুচক গোল, ম্যাচে প্রথম গোল পান এই ব্রাজিলিয়ান।
এরপর প্রথমার্থের অতিরিক্ত সময়ে গোল আসে এঞ্জো ফার্নান্দেজের পাস থেকে। যদিও এঞ্জোর বাড়ানো ডিবক্সে থ্রু পাসটাতে ছিল পেদ্রোর অসাধারণ ফিনিশিং দক্ষতা।
কেননা এঞ্জো বল বাড়ানোর পর সামনে এসে ব্লক করেন গোলরক্ষক এমি মার্টিনেজ। কিন্ত সেখান থেকেও ফাকা তৈরি করে এমিকে পরাস্ত করেন পেদ্রো। আদায় করেন নিজের ও দলের দ্বিতীয় গোল।
এরপর ৬৪ মিনিটে হ্যাট্রিকই পুরণ করেন পেদ্রো। এবার আগে থেকেই বক্সে উপস্থিত ছিলেন এই স্ট্রাইকার। সতীর্থের বাড়ানো পাসে জায়গা খুজে নিতে সময় লাগেনি। হাল্কা এক ছোয়ায় বল জড়ান জালে। এমিলিয়ানো মার্টিনেজের বিপক্ষে হ্যাট্রিক করে ব্রাজিল ভক্তদেরকেই পাঠিয়ে দেন আলাদা বার্তা।
রদ্রিগো, এস্তেভাওদের ইঞ্জুরি আক্রান্ত,বিশ্বকাপে দেখা হয়ত যাবেনা এই দুই তারকাকে। অপরদিকে নেইমারের খেলা নিয়ে এখনও আছে দোলাচল।
সেখানেই অভিজ্ঞতা ও পারফর্মেঞ্চ, দুটাই আছে পেদ্রোর কাছে। আবার গোল স্কোরিংএ অভাবটাও পারেন পুরণ করতে। সব মিলিয়ে সেলেসাওদের আক্রমণের লিডার হবার যোগ্যতা রাখেন জোয়াও পেদ্রো। সেই লিডারকেই ২০২৬ বিশ্বকাপে চায় সেলেসাওরা।
এই মৌসুমে ২৩ গোল এসিস্ট করা পেদ্রো বিশ্বকাপেও নিজের সেরা ফর্মে থাকুক, এমনটা চাওয়া কোটি সেলেসাও ভক্তদের।




