৫০ ওভারের ম্যাচ,অথচ পাকিস্তান অল আউট ১১৪ রানে।সেই জবাবে সাইফ ৪ করে আউট হলেও পাকিস্তানের বোলারদের সাথে ছেলেখেলা করেছেন তানজিদ হাসান তামিম।
একের পর এক চার ছয়ে তাকে সঙ্গ দিয়ে দলকে জয়ের দিকে নিয়ে গিয়েছেন সাবেক ক্যাপ্টেন নাজমুল হোসেন শান্ত।
এর আগে বাংলাদেশ টসে জিতে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেয় টাইগার অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ।
শুরুতে পাকিস্তান ১০ ওভারে কোনো উইকেট হারায়নি এবং ৪১ রানের জুটি গড়েছিল।
তবে ১০ম ওভারের শেষ বলে নাহিদ রানা সাহিবজাদা ফারহানকে ফেরানোর মধ্য দিয়ে পাকিস্তানের ইনিংসে ধস নামাতে শুরু করেন।
পরের কিছু ওভারে নাহিদ নিয়মিত উইকেট নেন। মাত্র ৬৯ রানেই তিনি পাকিস্তানের ৫ ব্যাটারকে আউট করেন, এর মধ্যে দুইজন অভিষিক্ত মা’জ সাদাকাত ও শামিল হুসাইন এবং অভিজ্ঞ ব্যাটার মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সালমান আলি আগা।
নাহিদ রানার ক্যারিয়ারের প্রথম ফাইফার লক্ষ্য হয় এই ইনিংস। তার ৫ উইকেটের সঙ্গে মেহেদী হাসান মিরাজ নেন ৩টি উইকেট, আর তাসকিন আহমেদ ও মুস্তাফিজুর রহমান নেন ১টি করে উইকেট।
মাত্র ৩০.৪ ওভারে পাকিস্তান ১১৪ রানে অলআউট হয়।
এটি পাকিস্তানের বাংলাদেশে সর্বনিম্ন রানের ইনিংস। এর আগে ১৯৯৯ সালের বিশ্বকাপে তারা বাংলাদেশকে ১৬১ রানে অলআউট করেছিল।
শেষ পর্যায়ে ফাহিম আশরাফ ও আবরার আহমদের ৩২ রানের জুটি না গড়ে পাকিস্তান ১০০ রানের কাছেও পৌঁছাতে পারত না।
তবে ১১৪ রান করেও অবশ্য খুব একটা পাত্তাই পায়নি তারা।




