মাঠের ক্রিকেটে দুইজন একইসাথে অনেকবার জুটি গড়েছেন। আআন্তজার্তিক মঞ্চে অনেকবার একইসাথে মাঠে নেমেছেন, এর বাইরে ঘরোয়া ক্রিকেট বা বিপিএলেও খেলেছেন একসাথে। এবার মাঠের বাইরে দেখা গেলো মুশফিক তামিম জুটি।
জাতীয় দল থেকে অবসর তামিম ইকবালের। মুশফিকুর রহিম খেলে থাকেন মাত্র এক ফরম্যাটে। ফলে পুনরায় মাঠে জুটি দেখার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে এই দুইজনের।
তবে এবার দুইজনই এলেন এক পডকাষ্টে। আর সেখানেই তামিমকে নিয়ে অবাক করা তথ্য দেন মুশফিক।
সেখানে তামিম ইকবালও ১৪ বছর বয়সে সুরিয়াবংশীর মত বড় বড় ছক্কা মারতে পারত, এমনটাই জানান মুশি।
সামিরস্ক্যানে আসা পডকাস্টে দুইজনই কথা বলেন নানা বিষয় নিয়ে। দীর্ঘ সময় ধরে হওয়া এই পডকাস্টেই দুইজনের কাছে প্রশ্ন থাকে, দুইজনের প্রথম সাক্ষাৎ এর অনুভুতি কেমন ছিল।
তামিম জানান শুরু থেকেই তার মনে হত মুশফিকুর রহিম হবেন আগামী দিনের অধিনায়ক। বয়সভিত্তিক পর্যায়ে দলে অন্যদের জায়গা নিয়ে যখন ছিল টানাটানি, মুশফিককে তখন অধিনায়ক হিসেবেই ভাবতেন সবাই, এমনটাই মত বাংলাদেশের সাবেক ওপেনারের।
একই প্রশ্ন করা হয় মুশফিকুর রহিমকে। আর সেখানেই তামিম ইকবালকে সুরিয়াবংশীর সাথে তুলনা করেন মুশি।
তামিমের সাথে পরিচয় হবার আগে তার নাম অনেক শুনেছিলেন এই ব্যাটার। সেখানে তাদের বারবার বলা হয়েছিল, ১৪ বছরের এক ছেলে আছে, যার থেকে ব্যাটের সাইজ বড়, কিন্ত সে হাকাতে পারে বড় বড় ছক্কা। এরপর যখন মুশফিক সত্যিই দেখেন তামিম আসলেও বড় বড় ছক্কা হাকাতে পারেন।
এমনকি এই ছক্কা হাকানোর স্কিলের সাথে সুরিয়াবংশীর তুলনাও করেন মুশি।
এ নিয়ে সাবেক উইকেটরক্ষক ব্যাটার বলেন “ এখন ভারতের খেলোয়াড় সুরিয়াবংশীকে নিয়ে সবাই কথা বলে ১৪ বছর বয়সে এত বড় বড় ছক্কা কিভাবে মারেন তিনি, আমার মনে হয় তামিমও একদম এরকম ছিলেন। সাইজে ছোট হলেও তামিম বড় বড় ছক্কা হাকাতে পারতেন”
ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে আগ্রাসী ব্যাটিংই করতেন তামিম ইকবাল। জাহির খানকে তার মারা ছক্কার কথা আজও ভুলতে পারেননি দর্শকরা।
ক্যারিয়ারে এরপরে দলের জন্য এবং দায়িত্ববোধ নিয়ে ব্যাটিং এর জন্য আগ্রাসীভাব কমে যায় তামিমের। কিন্ত ছোট থেকেই খান সাহেবের যে ছক্কার প্রতি ঝোক ছিল, সেটাই জানালেন তার অন্যতম প্রিয় সতীর্থ।
আর সেই ঝোক থেকেই বাংলার ক্রিকেটের অন্যতম বড় সুপারস্টার বনে গেছেন তামিম, হয়েছে লাখ তরুণের আদর্শ।




