প্রিমিয়ার লীগে গোলমেশিন বলা হয় আর্লিং হলান্ডকে।একইসাথে বিশ্বের সেরা স্ট্রাইকারও অনেকে বলেন এই নরওজিয়ান তারকাকে।
সেই হলান্ডকেই এবার নেক টু নেক টক্কর দিচ্ছেন ব্রাজিলিয়ান নাম্বার নাইন। যে ব্রাজিল দলে স্ট্রাইকার নিয়ে আছে শঙ্কা, ক্লাবে সেই ব্রাজিলিয়ান টক্কর দিচ্ছেন বিশ্বের সেরা স্ট্রাইকারকে। এমন কীর্তিই করছেন ব্রাজিলের নাম্বার নাইন ইগর থিয়োগা।
ব্রেন্টফোর্টের হয়ে এই মৌসুমে রীতিমতো গোল উৎসব করছেন থিয়োগা। লীগে ব্রেন্টফোর্ট আছে ৭ নাম্বারে। তবে গোলের দিক থেকে আর্লিং হলান্ডের পর দুই নাম্বারেই আছেন ইগর থিয়োগা।
সর্বশেষ ম্যাচেও জোডা গোল আসে তার পা থেকে। ম্যাচের ৩ মিনিটে গোল করে দলকে এগিয়ে নিয়ে যান ইগর। এরপর প্রতিপক্ষ এভারটন গোল করে ২৬ মিনিটে। ৭৬ মিনিটে আবারো গোল করেন থিয়াগো। তবে তার কোন গোলের লিড দল ধরে রাখতে না পারলে ২-২ গোলে শেষ হয় ম্যাচ।
তবে সেখানে রেকর্ডের পাতায় নাম লেখান ইগর। ইংলিশ প্রিমিয়ার লীগে এক মৌসুমে ব্রাজিলিয়ানদের মাঝে সর্বোচ্চ গোল এখন তার।
আর সেখানে ফ্যাবিনহো, জেসুস সহ বড় বড় ব্রাজিলিয়ান নাম্বার নাইনরা ইপিএল খেললেও নিজের দ্বিতীয় মৌসুমেই তাদের টপকে গেলেন এই থিয়োগা।
প্রশ্ন হলো ব্রাজিলের মুল একাদশে আসবেন কিনা এই নাম্বার নাইন। ব্রেন্টফোর্টের ইগর সর্বশেষ ম্যাচ খেলেছেন ব্রাজিলের হয়ে, করেছেন এক গোলও।
তবে দুই ম্যাচ খেলেছেন বদলি নেমে। ইগরের জায়গায় ব্রাজিল জাতীয় দলে শুরু করেন জোয়াও পেদ্রো। ক্লাবে পেদ্রো ফর্মে থাকলেও জাতীয় দলে ছন্দহীন পুরোপুরি। আবার ব্রাজিলে ভালো মানের উইঙ্গার ও এটাকিং মিডফিল্ডার আছে।
তাদের দরকার গোল পোচার একজন খেলোয়াড়। সেই গোল পোচারই হতে পারেন ইগর থিয়োগা।
ইগরের আরো এক ভালো দিক রয়েছে, তিনি পেনাল্টি স্পেশালিষ্ট। যে জায়গায় বর্তমানে অস্বস্তিতে ব্রাজিল দল।
তাই এই ব্রেন্টফোর্ট তারকা দলে থাকলে আরো এক জায়গায় স্বস্তি পাবে ব্রাজিল। বিশেষ করে নেইমারের থাকা না থাকা নিয়ে যখন উঠেছে বড় প্রশ্ন, তখন পেনাল্টিতে ইগরের মত নির্ভরযোগ্য কাউকে দরকার হবে সেলেসাওদের। এবার দেখা যাক, সবকিছু বিবেচনা করে ইগর আসেন কিনা কার্লোর প্রথম একাদশে।
গত বিশ্বকাপে অভিজ্ঞতাকে এক পাশে রেখে ফর্মে থাকা স্ট্রাইকার আলভারেজকে সুযোগ দেন স্কালোনি। এরপর কি হয়, সেটা জানা সবারই। ব্রাজিল কোচ কার্লো এবার থিয়োগাকে নিজেদের আলভারেজ বানাতে পারে কিনা, দলকে শিরোপা এনে দিতে পারে কিনা সেটাই এবার দেখার বিষয়।




