কোচ আসে কোচ যায়। বর্তমানে চেলসি দলে স্থায়ী কেউ নয়। এমনকি খেলোয়াড়েও দলে আসে অনেক পরিবর্তন।
একদিকে খেলোয়াড় কিনে স্কোয়াড করা হয় ভর্তি। আবার লোন বা বিক্রি করা হয় ইচ্ছেমত খেলোয়াড়।
বর্তমানে প্রিমিয়ার লীগে চেলসি যেন লেজেগোবরে এক দল।
তবে এই দলের মাঝে ব্যাতিক্রম চিত্র এঞ্জো ফার্নান্দেজের। গত ৪ বছর ধরেই আছেন দলটির সাথে, হলেন দলের অধিনায়ক।
বেনফিকা থেকে ১২১ মিলিয়ন রেকর্ড ট্রান্সফার ফিতে যোগ দেন লন্ডনের ক্লাবটি। ব্লুজদের ডেরায় এসে ফিফা ওয়ার্ল্ড কাপ, কনফারেন্স লীগ সহ জিতেছেন ৪ শিরোপা। এবার আরো একবার শিরোপার সামনে নিয়ে গেলেন দলকে।
এফএ কাপের ফাইনালে এবার এঞ্জোর দল চেলসি। ম্যানচেস্টার সিটিকে হারাতে পারলে এই মৌসুমেও শিরোপা আসবে সিটির কাছে। তার আগে সেমিফাইনালে ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে মুখোমুখি লড়াইয়ে লিডসের বিপক্ষে নামে চেলসি।
আর সেখানেই চেলসির জয়ের নায়ক এঞ্জো ফার্নান্দেজ। ম্যাচের একমাত্র গোলটা আসে তার পা থেকেই।
ম্যাচের ২৩ মিনিটে পেদ্রো নেতোর পাস থেকে গোল করেন এঞ্জো। মিডফিল্ডার হলেও এঞ্জোর লেট রান, পজিশনিং ও ফিনিশিং আলাদাভাবে নজর কারে বারবার।
সেই কাজটাই আরো একবার করলেন তিনি। আক্রমণভাগে জোয়াও পেদ্রোএ পাস থেকে বল নেতো। সেখান থেকেই ক্রস বাড়ান এই পর্তুগীজ তারকা। এরপর এঞ্জো দারুণ এক হেডার, স্কোরশিটে নাম চেলসির।
গোল এসিস্ট ছাড়াও পুরা ম্যাচে দাপুটে ছিলেন এঞ্জো৷ ম্যাচে ৪০ এর অধিক পাস দিয়েছেন, একাধিকবার করেছেন চাঞ্চ ক্রিয়েট।
এর বাইরে একাধিক শট অন টার্গেট আছে। নাম লেখিয়েছেন একুরেট ক্রস ও সফল ড্রিবলিংএ, সেখানে সফলতার হার কম নয়। ডুয়েলস, ইন্টারসেপশন করেছেন ঠিকঠাক। এঞ্জো দেখিয়েছেন তার মাঝমাঠের ঝলক।
গত বিশ্বকাপে বেঞ্চ থেকে এসে জাদু দেখিয়েছেন এঞ্জো। তবে এবার ঘষেমেজে স্কালোনির বড় তারকা হয়েছেন।
বিশ্বকাপের মাঝমাঠে সবথেকে ফর্মে থাকা খেলোয়াড় এই এঞ্জো, যার হাত ধরে মাঝমাঠে দাপট দেখিয়ে গত বিশ্বকাপ পায় আর্জেন্টিনা।
চেলসি দলে ভালো করুক এঞ্জো, পাক শিরোপা এমনটা অবশ্যই চায় তার ভক্তরা। তবে এই শিরোপা যদি এর সাথে আরো একবার আসে আর্জেন্টিনার হয়ে, তবে যেন এঞ্জোর ক্যারিয়ারে আসবে আরো পুর্ণতা।




