দেশের মাঠে টি২০ সিরিজের ডামাডোল, দর্শকদের নজর সেদিকেই। তবে খেলোয়াড়দের বসে থাকার সুযোগ নেই, এই মুহুর্তে দেশের অভ্যন্তরে চলছে দুটি ঘরোয়া আসর।
যার মধ্যে অন্যতম টেষ্ট ক্রিকেটের বড় আসর ন্যাশনাল ক্রিকেট লীগ এনসিএল। অমিত হাসান সেখানেই আলো ছড়াচ্ছেন নিয়মিত।
ইষ্ট জোনের হয়ে সর্বশেষ ম্যাচে অমিতের ব্যাট থেকে আসে ১৬২ রানের ইনিংস।
যে ইনিংসের চাপটাই সামলাতে পারেনি জিসান, নাইম, মোসাদ্দেক, রনিদের নিয়ে গড়া মধ্যাঞ্চল।
পুর্বের অমিত রান করেছেন চারে নেমে, হাল ধরেছেন মিডল অর্ডারে। অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিমকে নিয়ে করেছেন ১৬১ রানের জুটি। মুশি শতক বঞ্চিত হলেও বড় রান করেই মাঠ ছাড়েন অমিত।
শুধু এই ম্যাচে ভালো করেছেন অমিত, এমনটা নয় মোটেই। ঘরোয়া ক্রিকেটে অমিত মানেই যেন রানফোয়ায়। এখন পর্যন্ত ঘরোয়া টেষ্ট আসরে অমিত খেলেছেন মোট ৮২ ইনিংস।
এসব ইনিংসে করেছেন ৩৬৫০ রান, গড়টা ৫০ ছুই ছুই। ৪৯.৩২ গড়ে ইনিংসের দারুণ বিষয় অমিতের কনভার্সন রেট।
এই সময় ১৭ ফিফটি করেছেন অমিত, সাথে ছিল ১১ শতক। অর্থ্যাৎ অর্ধশতক থেকে বড় রানের লক্ষ্যটাও পুরণ করতে অমিত ভালোই জানেন।
যে কারণে এই অমিতকে চাওয়া ক্রিকেট ভক্তদের। টেষ্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের ব্যাটিং এর খুটি সব আমলেই নড়বড়ে। ওপেনিং পজিশনে জয়, জাকিররা নিয়মিত খেললেই তাদের থেকে পারফর্মেঞ্চ দেখা যায় কালেভদ্রে।
সাদমান ইসলাম ধীরে ধীরে রান ফিরলেও এখন হতে পারেননি ভরসাযোগ্য। অপরদিকে জাতীয় দলে থিতু হতে পারছেননা তরুণ ব্যাটার শাহাদাত হোসেন দ্বিপু। এমন এক লাইনআপে অমিতকে নিয়েই তাই নতুন করে ভাবতে হবে বিসিবির।
বিশেষ করে কয়েক বছর ধরে অমিতের রান করা নজরে আনতে পারে তারা।
টেষ্ট ক্রিকেট অভিজ্ঞদের খেলা, এটা এক ধরণের সত্য। একইসাথে ঘরোয়া লাইনআপে দীর্ঘদিনের পারফর্মাররা এই ফরম্যাটে করেন দারুণ কিছু। সেই সম্ভাবনা আছে অমিত হাসানের, এবার দেখা যাক কত তাড়াতাড়ি তাকে সম্ভাবনা পুরণে সুযোগ দেয় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড।




