স্পেন-ফ্রান্স-আর্জেন্টিনা।সাম্প্রতিক পারফর্মেন্স অনুযায়ী এবারের বিশ্বকাপ জয়ের সবচেয়ে বড় দাবিদার এই ৩ দল।যদিও খাতা কলমের হিসেব পাল্টে যায় মাঠে, তবে আপাতত দৃষ্টিতে এই তিন দলই সবচেয়ে বেশি ফ্যাভারিট।
সেখানে কয়েকদিন আগেই ইঞ্জুরীতে পড়েছেন ইয়ামাল,তার ঈঞ্জুরী বড় হলেও বিশ্বকাপে ফিরবেন দলে।
কিন্তু ফিরলেও নিজের সেরা ছন্দ পাবেন কিনা তা নিয়ে আছে শংসয়।
এদিকে,
লা লিগা মৌসুমের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে চোটে পড়েছেন কিলিয়ান এমবাপ্পে, যা একদিকে রিয়াল মাদ্রিদ-এর শিরোপা লড়াইয়ে ধাক্কা দিয়েছে, অন্যদিকে ফ্রান্স জাতীয় ফুটবল দল-এর বিশ্বকাপ পরিকল্পনাকেও অনিশ্চয়তার মুখে ফেলেছে।
রিয়াল বেতিসের বিপক্ষে ম্যাচে হ্যামস্ট্রিং সমস্যায় পড়ে মাঠ ছাড়েন এই ফরাসি তারকা, যার ফলে তাকে নিয়ে উদ্বেগ এখন চরমে।
ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধেক অস্বস্তি অনুভব করার পর নিজেই পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেন এমবাপ্পে।
পরে জানা যায়, তার বাম পায়ের হ্যামস্ট্রিংয়ে স্ট্রেইনের আশঙ্কা রয়েছে। যদিও এখনো চোটের চূড়ান্ত অবস্থা জানা যায়নি, তবে সামনে থাকা গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচগুলোতে তাকে পাওয়া নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
বিশেষ করে এল ক্লাসিকো-এর মতো বড় ম্যাচে তার অনুপস্থিতি রিয়ালের জন্য বড় ক্ষতি হতে পারে।তাছাড়া বিশ্বকাপে এই ইঞ্জুরীর প্রভাব পড়লেও আশ্চর্য হবার কিছুই থাকবেনা।
এর আগে তরুণ প্রতিভা লামিন ইয়ামাল-ও ইনজুরিতে পড়েছিলেন। ফলে ইউরোপের শীর্ষ তারকাদের একের পর এক চোট যেন বড় টুর্নামেন্টের আগে নতুন সমীকরণ তৈরি করছে। এই প্রেক্ষাপটে আলোচনায় চলে আসছেন লিওনেল মেসি।
অনেকেই মনে করছেন, প্রতিদ্বন্দ্বী তারকাদের ইনজুরি আর্জেন্টিনার জন্য সুবিধা তৈরি করতে পারে।
বিশ্বকাপের মঞ্চে অভিজ্ঞতা ও নেতৃত্বে এগিয়ে থাকা মেসির জন্য এটি হতে পারে আরেকটি বড় সুযোগ।
আর্জেন্টিনা জাতীয় ফুটবল দল ইতোমধ্যেই শক্তিশালী দল হিসেবে নিজেদের প্রমাণ করেছে। সেখানে এমবাপ্পের মতো খেলোয়াড় পুরোপুরি ফিট না থাকলে ফ্রান্সের আক্রমণভাগে বড় প্রভাব পড়তে পারে।
তবে বাস্তবতা হলো, একটি বড় টুর্নামেন্ট শুধুমাত্র একজন খেলোয়াড়ের ওপর নির্ভর করে না।
এমবাপ্পে যদি দ্রুত সেরে ওঠেন, তাহলে ফ্রান্স আবারও শক্তিশালী দাবিদার হয়ে উঠবে। একইভাবে লামিন ইয়ামালের মতো তরুণদের প্রত্যাবর্তনও স্পেনের সম্ভাবনাকে উজ্জ্বল করতে পারে।




