বাংলাদেশ ফুটবলের নতুন যুগের সম্ভাবনা যেন আরও জোরালো হচ্ছে। যেখানে একইসাথে দুই হাইপ্রোফাইল কোচ এবার আসছেন বাংলাদেশের ডেরায়।
ক্রিস কোলম্যান যদি শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের দায়িত্ব নেন, তাহলে শুধু একজন বড় কোচই নয়, তার সঙ্গে ডাগআউটে দেখা যেতে পারে আরেক পরিচিত নামকে।
ইপিএলের বড় বড় ক্লাবের অভিজ্ঞতা থাকা কিট সিমন্সও আসবেন কোলম্যানের সাথে। সাবেক এই ডিফেন্ডার খেলোয়াড়ি জীবন থেকে কোচিং, দুই জায়গাতেই পরিচিত মুখ। ফলে বাংলাদেশের ফুটবলে একসাথে দুই হাইপ্রোফাইল ব্যক্তিত্বের উপস্থিতি তৈরি করতে পারে নতুন আলোচনার।
কিট সিমন্সের জন্ম ইংল্যান্ডে হলেও তিনি আন্তর্জাতিক ফুটবলে প্রতিনিধিত্ব করেছেন ওয়েলসকে।
খেলোয়াড়ি ক্যারিয়ারে তিনি ছিলেন নির্ভরযোগ্য ডিফেন্ডার। ইংলিশ ফুটবলে দীর্ঘ সময় খেলেছেন বিভিন্ন ক্লাবে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় ছিলেন ম্যানচেস্টার সিটি ও ফুলহ্যামে কাটানো সময়ের জন্য। ম্যানচেস্টার সিটি ও ফুলহ্যাম, দুই ক্লাবেই তিনি ছিলেন ৪ বছর, খেলেছেন ১০০ এর বেশি ম্যাচ। বিশেষ করে ফুলহ্যামে তিনি ছিলেন দর্শকদের পরিচিত এক মুখ।
কঠিন ডিফেন্ডিং, নেতৃত্বগুণ ও পরিশ্রমী মানসিকতার কারণে কোচদের আস্থাও পেয়েছিলেন নিয়মিত।
খেলোয়াড়ি জীবন শেষ করার পর কোচিংয়েও দ্রুত নিজের অবস্থান তৈরি করেন সিমন্স। ফুলহ্যামের কোচিং স্টাফে কাজ করার পর একসময় ক্লাবটির হেড কোচের দায়িত্বও পালন করেন। এছাড়া ক্রিস্টাল প্যালেস, কোলচেস্টার ইউনাইটেডের মত ক্লাবের ছিলেন দায়িত্বে। এবার এই কোচকেই নিজের সহকারী হিসেবে চেয়েছে ওয়েলসের ম্যাজিশিয়ান কোচ কোলম্যান।
ক্রিস কোলম্যানের সঙ্গে সিমন্সের সম্পর্কও দীর্ঘদিনের। দুজনই ওয়েলস ফুটবল সংস্কৃতির সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত।
কোলম্যান যখন বিভিন্ন দলে দায়িত্ব পালন করেছেন, তখন সিমন্সও বিভিন্ন পর্যায়ে তার কাছের সহকর্মীদের একজন ছিলেন। বিশেষ করে ২০১৬ সালেই দুইজন একসাথে কাজ করেছেন ওয়েলসের হয়ে৷ তাই বাংলাদেশ দলে তারা একসাথে কাজ করলে বোঝাপড়া ও পরিকল্পনার জায়গাটি অনেক শক্তিশালী হতে পারে।
সবমিলিয়ে, কিট সিমন্স শুধুই একজন সহকারী কোচ নন, তিনি নিজেও বড় অভিজ্ঞতার এক ফুটবল ব্যক্তিত্ব। যদি সত্যিই ক্রিস কোলম্যানের সঙ্গে বাংলাদেশে আসেন, তাহলে দেশের ফুটবল ডাগআউটে দেখা যেতে পারে একসাথে দুই হাইপ্রোফাইল৷ যা বাংলাদেশের ফুটবলের জন্য হতে পারে বড় এক ইতিবাচক দিক। শেষ পর্যন্ত এই দুইয়ে মন গলে কিনা বাফুফের, এটাই দেখার বিষয় এবার।




