পাকিস্তানের বিপক্ষে একাই যেন ব্যাট হাতে লড়াই করেছেন শান্ত।দুই ইনিংসেই এক মুমিনুল ব্যাতিত বড় কোনো সাপোর্ট দিতে পারেননি অন্য ব্যাটাররা।
ইতিহাসের একমাত্র বাংলাদেশী ব্যাটার হিসেবে পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্টে শতক হাকালেন তিনি,মীরপুরের মাঠে।যা অতিতের কোনো বাংলাদেশীই করতে পারেননি।তবে অল্পের জন্য বড় রেকর্ড গড়া থেকে বঞ্চিত হন দুই ইনিংস মিলে ১৮৮ করা শান্ত।
মিরপুরে পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম ম্যাচে অবিস্মরণীয় এক বিশ্বরেকর্ড হাতছানি দিয়ে ডাকছিল বাংলাদশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তকে। সেঞ্চুরি করলেই সে কীর্তিটা ছোঁয়া হয়ে যেত তার।
তবে ৮৭ রানে আউট হয়ে সে বিশ্বরেকর্ডটা আর গড়া হলো না।
টেস্ট ক্রিকেটে এই কীর্তির সূচনা হয়েছিল ১৯০৯ সালে। অস্ট্রেলিয়ার ওপেনার ওয়ারেন বার্ডসলে ওভালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে ১৩৬ ও দ্বিতীয় ইনিংসে ১৩০ রান করেছিলেন।
এই টেস্টের আগে শান্ত দুইবার গড়েছিলেন এই কীর্তি। ২০২৩ সালের জুনে আফগানিস্তানের বিপক্ষে প্রথমবারের মতো জোড়া সেঞ্চুরি করেছিলেন তিনি। এরপর গেল বছর শ্রীলঙ্কায় আবারও এই কীর্তি গড়েন তিনি।
দুইবারের বেশি এই মাইলফলক ছুঁয়েছেন মোট ১৫ জন ব্যাটসম্যান, তাতে সবশেষ সংযোজন হয় শান্তর নাম।
আজ পঞ্চম দিনে মনে হচ্ছিল তৃতীয় বারের মতো এই কীর্তিটা বুঝি গড়া হয়েই যাচ্ছে তার। প্রথম ইনিংসের সেঞ্চুরির পর দ্বিতীয় ইনিংসেও এগোচ্ছিলেন তিন অঙ্কের দিকে।
বিপত্তিটা বাধল নোমান আলীর বলে রিভার্স সুইপ করতে গিয়ে। বলের ফ্লাইট মিস করে বসেন, তা গিয়ে আঘাত হানে প্যাডে; এলবিডব্লিউর আবেদনে সাড়া দেন আম্পায়ার, রিভিউ নিয়েও কাজ হয়নি।
ফলে ৮৭ রানেই বিদায় নেন বাংলাদেশের ক্যাপ্টেন।তবে পাকিস্তানি বোলারদের দুই ইনিংসেই শাসন করেছেন টাইগার ক্যাপ্টেন।
তবে বাকি ব্যাটারদের ব্যার্থতায় ২৪০ করতেই ৯ উইকেট হারায় বাংলাদেশ, ফলে ২৭০ এর নিচেই টার্গেট দিয়েই ইনিংস ডিকলার করতে হয় বাংলাদেশকে!




