দ্রুত গতির বল ছুয়ে গেল স্টাম্প,অথচ বেলে আঘাত করলেও বেল পড়লোনা,হয়ে গেলো চার!
শুধু তাই নয়,কপাল মন্দ ছিলো আরো অনেক দিকেই। আম্পায়ারদের সব কলই যেন গেলো পাকিস্তানের পক্ষে,ইজি উইকেট হলেও আম্পায়ার কল অনুযায়ী যা পায় পাকিস্তানিরা।তবে এতো কিছুর পরও জয় পায়নি পাকিস্তান।
আগারদিন পাকিস্তানের সালমান আলী আগা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন বাংলাদেশকে।
বলেছিলো যদি ২৬০ রানের মতো টার্গেট দেয় তাহলে সেটা চেইস করে জিততে পারবে পাকিস্তান। তবে বাংলাদেশের এমন সাহস আছে কিনা সেই সন্দেহ প্রকাশ করেন তিনি।
তবে পরদিন ঠিকই ১৭০ এর নিচে টার্গেট দিয়েই ইনিংস ডিকলার করেন নাজমুল হোসেন শান্ত।
আর সেই টার্গেট পেয়ে শুরুতেই বাংলাদেশের উপর চড়াও হতে চায় পাকিস্তান।
শুরুতেই তাসকিনের বলে মাত্র ২ রানে ফিরে যান ইমাম উল হক।তবে ঠিকই চড়াও হন অভিষিক্ত আব্দুল্লাহ ফজল।
ফজল একদিকে একের পর এক চার হাকাতে থাকেন,অন্যদিকে ধরে খেলেব আজান। তবে ৩৩ বলে ১৫ রান করে আজান আউট হওয়ার পর,ফজলের সাথে তেমন কেও জুটি গড়তে পারেননি।একের পর এক চার ছয়ে ওয়ানডে স্টাইলে যখন ফিফটি হাকান তিনি,এরপরই শুরু হয় স্পীন জাদু।
রানের চাপ আসার পর,শান মাসুদ আউট হন নাহিদের বলে মাত্র ২ করে।আর ভাল খেলা সালনান আলি আউট হব তাসকিনের বলে।তবে তার আগেই ৬৬ করা ফজলকে ফেরান তাইজুল ইসলাম।
ফলে ৫ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে যায় পাকিস্তান, আর সেখানেই তাদের জয়ের আশা শেষ করে দেন নাজমুল হোসেন শান্তর দল।
এর আগে মিরপুর টেস্টের প্রথম ইনিংসে ৪১৩ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। জবাবে ৩৮৬ রানে গুটিয়ে যায় পাকিস্তান। ২৭ রানের লিড নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমে ৯ উইকেট হারিয়ে ২৪০ রান সংগ্রহ করে ইনিংস ঘোষণা করেছে টাইগাররা। এতে জয়ের জন্য পাকিস্তানকে করতে হতো ২৬৮ রান।
মঙ্গলবার নাজমুল হোসেন শান্ত ৫৮ ও মুশফিকুর রহিম ১৬ রানে অপরাজিত থেকে টেস্টের পঞ্চম ও শেষ দিনের খেলা শুরু করেন। দিনের শুরুতেই ২৬ রানে আউট হন মুশফিক।
এরপর সাজঘরে ফিরে যান লিটন। তবে একপ্রান্ত আগলে রেখে সেঞ্চুরির দিকে এগোতে থাকেন শান্ত। তবে দলীয় ২১৬ রানে ১৫০ বলে ৮৭ রান করে আউট হন টাইগার অধিনায়ক।
শান্তর বিদায়ের পরই ধস নামে বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনে। মিরাজ ২৪, তাইজুল ৩ ও তাসকিন ১১ রান করে সাজঘরে ফিরে যান। এরপরই ইনিংস ঘোষণা করে দেন অধিনায়ক শান্ত।




