চিকিৎসাবিজ্ঞানে রোগ সারানোর জন্য রোগ নির্নয়টা বেশ জরুরী। কারণ এক এক রোগের ক্ষেত্রে থাকে এক একেক ধরণের ঐষুধ।
তবে দেশটা যেহেতু বাংলাদেশ, এক ধরণের ঐষুধই এখানে সার্বজনীন। রোগ যেটাই হোক, এর ঐষধ একটাই।
বিশেষ করে টি২০ ক্রিকেটে পজিশন যেটাই হোক, ওপেনারদের নিয়েই যেন সমাধান খোজার চেষ্টা নির্বাচকদের। আর সেখানে এবার স্কোয়াডে পাচ ওপেনার।
নিয়মিত ওপেনার হিসেবে দলে আছেন তানজিদ হাসান তামিম ও সাইফ হাসান। সাম্প্রতিক সময়গুলোতে জাতীয় দলের হয়ে ওপেনিং করতে দেখা গেছে তাদেরকে। আগামী সিরিজেও ওপেনিং এর ভাবনায় এই ক্রিকেটাররাই।
তবে তাদেরকে টক্কর দিতে পারে এক নাম৷ আবারো টি২০ ক্রিকেটে প্রত্যাবর্তন সৌম্য সরকারের।
বাংলাদেশ ক্রিকেটের মারকুটে এই ব্যাটারকে এবার ডাকা হয়েছে টি২০ এর জন্য। আর সেখানে ওপেনিংএ আসার দাবিও জানাচ্ছেন তিনি। বিশেষ করে সাইফ হাসানের অফফর্মের জন্য সেই দাবি হচ্ছে জোড়ালো।
তবে শুধু যে এই ৩ ওপেনার আছেন দলে, এমনটা নয় মোটেও। দলে আছেন আরো দুই ওপেনার। সিরিজে অধিনায়কত্ব এর দায়িত্ব পালন করবেন লিটন কুমার দাস।
ক্যারিয়ারের অর্ধেকের বেশি ম্যাচে ওপেনিং পজিশনে ব্যাট করেন লিটন কুমার দাস। এই পজিশনে ১৫৬৯ রান তার।
গড় ও স্ট্রাইক রেটও তার স্বাভাবিক গড় ও স্ট্রাইক রেটের চেয়ে বেশি। দলের প্রয়োজনে লিটনকে নিচে খেলানো হচ্ছে। অন্য পজিশনের জন্য খেলোয়াড় বিবেচনা না করে লিটনকেই আনা হচ্ছে অন্য পজিশনের জন্য।
কিছুদিন আগেও জাতীয় দলে ওপেনার ছিলেন পারভেজ হোসেন ইমন। তানজিদ তামিমের সাথে তার আগ্রাসী শুরু ছিল দলের নিয়মিত অংশ।
এমনকি এই ওপেনিং পজিশনে নেমে সেঞ্চুরিও হাকান ইমন। তবে দলের বিবেচ্য ওপেনার এখন আর নন ইমন। বরং মিডল অর্ডারে স্পিন আক্রমণ সামলাতেই ব্যাবহার করার কথা ভাবা হচ্ছে ইমনকে। অজিদের বিপক্ষেও মিডল অর্ডারেই দেখা যেতে পারে তাকে।
অর্থ্যাৎ নতুন করে সমাধান খুজে বের করার চেষ্টা নেই নির্বাচকদের। বরং ওপেনারদের দ্বারাই অন্য পজিশনের সমাধান খোজার চেষ্টা তাদের।
এর আগেও দলের ওপেনার আধিক্য নিয়ে সমালোচনা হয়েছে। এরপর দিন বদলের গল্প হয়েছে অনেক, তবে আর বদল হয়নি।
হয়ত কোন এক গুণের কারণে ওপেনারদের স্থান করা হয়েছে পরিবর্তন। তবে এভাবে মেকশিফট করে দীর্ঘস্থায়ী সফলতা আসবে কিনা দলে, সে প্রশ্ন থেকেই যাবে।




