মুসলিমের দেশফুটবল ছাড়িয়ে হাস্যরস করে হলেও,অনেকে বলেন মুসলিম দেশকেই সাপোর্ট দিবে তারা।আর সেইক্ষেত্রেই অনুসব্ধান করে মুসলিম পোর্ট থেকে মিললো আলজেরীয়ার সমৃদ্ধ ইতিহাস।
দক্ষিণ আমেরিকার দেশ আর্জেন্টিনায় মুসলিম জনগোষ্ঠীর সংখ্যা মোট জনসংখ্যার প্রায় ১ শতাংশের কাছাকাছি। অন্যদিকে উত্তর আফ্রিকার দেশ আলজেরিয়া বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ মুসলিম অধ্যুষিত রাষ্ট্র। বিভিন্ন তথ্যসূত্র অনুযায়ী দেশটির প্রায় ৯৭ থেকে ৯৯ শতাংশ মানুষ ইসলাম ধর্ম অনুসরণ করেন।
ভূমধ্যসাগরের তীরে অবস্থিত আলজেরিয়া আফ্রিকার বৃহত্তম রাষ্ট্রা এবং বিশ্বের বৃহত্তম আরব রাষ্ট্র। প্রায় ২৩ লাখ ৮১ হাজার বর্গকিলোমিটার আয়তনের দেশটির জনসংখ্যা ৪ কোটিরও বেশি।
আলজেরিয়ার ইতিহাসের সঙ্গে ইসলামের সম্পর্ক গভীরভাবে জড়িত। সপ্তম শতকে মুসলিম সেনাপতি ওকবা ইবনে নাফি-এর নেতৃত্বে অঞ্চলটি মুসলিম শাসনের আওতায় আসে। এরপর ইসলাম ও আরবি ভাষা দ্রুত বিস্তার লাভ করে এবং দেশটির সামাজিক ও সাংস্কৃতিক পরিচয়ের প্রধান ভিত্তি হয়ে ওঠে। বর্তমানে অধিকাংশ আলজেরীয় মালিকি মাযহাব অনুসরণ করেন এবং ইসলাম দেশটির রাষ্ট্রধর্ম।
তবে আলজেরিয়ার ইতিহাস শুধু ধর্মীয় পরিচয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। দেশটি দীর্ঘ সময় ধরে বিদেশি আগ্রাসন ও উপনিবেশবাদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করেছে। ১৮৩০ সালে ফ্রান্স আলজেরিয়া দখল করার পর প্রায় ১৩২ বছর দেশটি উপনিবেশিক শাসনের অধীনে ছিল। স্বাধীনতার জন্য দীর্ঘ রক্তক্ষয়ী লড়াইয়ের পর ১৯৬২ সালে আলজেরিয়া স্বাধীনতা অর্জন করে। স্বাধীনতা যুদ্ধে লাখো মানুষের প্রাণহানির ইতিহাস আজও দেশটির জাতীয় চেতনার অংশ।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধেও বহু আলজেরীয় ফরাসি বাহিনীর পক্ষে লড়াই করেছিলেন। কিন্তু যুদ্ধ শেষে ফরাসি শাসনের বিরুদ্ধে স্বাধীনতার দাবিতে আন্দোলন শুরু হলে পরিস্থিতি বদলে যায় এবং শুরু হয় নতুন সংঘাত।
নানা সংগ্রাম, ত্যাগ ও ইতিহাসের সাক্ষী সেই আলজেরিয়া এবার মাঠে নামবে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা-এর বিপক্ষে। একদিকে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ উত্তর আফ্রিকার প্রতিনিধিত্বকারী আলজেরিয়া, অন্যদিকে দক্ষিণ আমেরিকার ফুটবল পরাশক্তি আর্জেন্টিনা। ইতিহাস, সংস্কৃতি ও ফুটবল,সব মিলিয়ে ম্যাচটি ঘিরে সমর্থকদের আগ্রহ এখন তুঙ্গে। আলজেরিয়ার




