সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার নাম উঠেছে ডিক্টেটর।
এ নিয়েই চলে ট্রল, মিম বা হাস্যরস। বিশ্বকাপের পারফর্মেঞ্চেও এতদিন ছিল তার ছাপ। তবে আসল জায়গায় এসে যেন স্বৈরশাসকের হলো পতন।
বরং ফুটবলের আসল ডিক্টটরের কাছেই যেন যাচ্ছে সাম্রাজ্য। কিলিয়ান এমবাপ্পের পুরষ্কার যে এবার চলে যাচ্ছে মেসির ঘরে।
ফেভারিটের তকমা নিয়ে আসা ফ্রাঞ্চ জয় পেলোনা স্পেনের সাথে। সেমির মঞ্চে এমবাপ্পেও পেলোনা কোন গোল। ফলে আসরের টানা ৩ ফাইনাল খেলা হলোনা এমবাপ্পের। আর একইসাথে যেন চুর্ণ বিচুর্ণ হচ্ছে তার স্বপ্ন
যৌথভাবে আসরের সেরা গোলদাতা এমবাপ্পে। তবে তাকে ভাঙার জন্য এখনও ২ ম্যাচ পাবেন লিওনেল মেসি।

যদি আর্জেন্টিনা বাদও পড়ে যায় ইংল্যান্ডের সাথে, তবুও থাকবে সুযোগ। যে ধরণের ফর্মে আছেন লিওনেল মেসি, সেখানে গোল্ডেন বুট পাওয়ার লড়াইয়ে এখন এমবাপ্পের থেকে তিনিই থাকবেন এগিয়ে।
২০১৪ সালে আসরের সেরার খেতাব পেয়েছেন মেসি। ২০২২ সালে চ্যাম্পিয়ন হয়েই আসরের সেরা হয়েছেন এলএমটেন।
আরো একবার সেই দিকেই এগিয়ে যাচ্ছেন মেসি। আর হবেন বা নাই কেন। আর্জেন্টিনা দলের মোষ্ট গোলদাতা মেসি, এসিস্টেও সবার চেয়ে সেরা।
এমনকি চাঞ্চ ক্রিয়েট, কি পাস, একুরেট ক্রস, সবচেয়ে সফল ড্রিবলিং এইসবেও মেসিকে টপকাতে পারেননি কোন আর্জেন্টাইন। যদি দলকে ফাইনালেও নিয়ে যান মেসি, তবে একা হাতে দলের এত সামলানোর জন্য তিনিই হবেন সেরা খেলোয়াড় হওয়ার যোগ্য।
অবশ্য এখানেই শেষ নয়। ক্যারিয়ারে প্রথম ব্যালন ডি অর হাতছানি দিচ্ছিল এমবাপ্পের সামনে। ক্লাবে দারুণ পারফর্মেঞ্চ করে এসেছিলেন। বিশ্বকাপে এসেও দেখেছিলেন স্বপ্ন। যদি আসরটা জিতে যান আবার, তবে ব্যালনের রেসে সামনের দিকেই থাকত এমবাপ্পের নাম।
কিন্ত সেটাও আজ থেকে আর থাকছেনা। বিপরীতে এমএলএসে খেলেও ব্যালনের দাবি উঠাচ্ছেন মেসি। কেননা বিশ্বকাপে যে পারফর্মেঞ্চ দেখাচ্ছেন তিনি, বিশ্বকাপ জয় করলে ৯ম বারের মত এই পুরষ্কার তার ঘরে উঠা অসম্ভব কিছুনা।
সব মিলিয়েই মেসি প্রমাণ করছেন, তিনি যতদিন আছেন, রাজত্ব চলবে তারই। আর ডিক্টেটর থেকে এমবাপ্পে যেন এখন দুই বিঘা জমির উপেন। যার সবটাই কেড়ে নিচ্ছেন ফুটবলের আসল রাজা লিওনেল আন্দ্রেস মেসি।




