ভক্তদের গর্জন ছিল, একাই আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে দেবেন জুড বেলিংহাম। আসরে একের পর এক গোল দিয়ে এসেছেন, গোল্ডেন বলের দৌড়েও নাকি ছাড়িয়ে গেছেন।
আর সেখানেই মেসি, আলভারেজরা নাকি পাত্তাই পাবেননা বেলিংহামের সামনে। কিন্ত ম্যাচের পারফর্মেঞ্চে দেখা গেলো তার উলটো চিত্র। পুরো ম্যাচে যেন বোতলবন্দী বেলিংহাম।
মাঝমাঠে আর্জেন্টিনার কাছে হেরে গেছে ইংল্যান্ড। সেখানেই অকার্যকর হয়েছে বেলিংহামের খেলা। পুরো ম্যাচে বলার মত আক্রমণে যেতে পারেননি।
এমনকি প্রথম গোলের পিছনেও আছে তার দায়। কেননা রাইস যাওয়ার পর স্পেস কাভার করার দায়িত্ব ছিল তার। তবে সেই স্পেসটা রেখেই আর্জেন্টিনাকে গোলের সুযোগ এনে দিয়েছেন বেলিংহাম।
পুরো ম্যাচে মাত্র ১৯ পাস খেলেছেন, ড্রিবলিং করেছেন মাত্র ১ বার। কোন শট করতে পারেননি, করতে পারেননি কোন চাঞ্চ ক্রিয়েট৷ ডুয়েলস হেরেছেন ৫০ ভাগের বেশি, উলটো ফাউল করেছেন ৩ বার।
মাত্র ৪০ টাচ ছিল ম্যাচে। অথচ তার মত সারা মাঠ দৌড়ানো খেলোয়াড়ের থেকে প্রত্যাশা ছিল বেশি। তবে সেটা মাঠের খেলায় হয়নি প্রতিফলন
কিন্ত এরপরও বেলিংহাম হেডলাইনে এসেছেন। সেটা তার পারফর্মেঞ্চ দিয়ে নজর, বাজে আচরণের জন্য। ম্যাচ হেরেছেন, কিন্ত এরপরও কমেনি তার উদ্ধত আচরণ।
ম্যাচে একাধিকবার লিওনেল মেসির সাথে ঝগড়া করেছেন, লিপ্ত হয়েছেন তর্ক। আর্জেন্টিনা দলের সাথেও করেছেন তর্ক, একাধিকবার উত্তপ্ত করার চেষ্টা করেছেন। তবে তরুণ বার্কোর সাথে যা করলেন, সেটা যেন ফুটবলের সৌন্দর্য্যের একদম বাইরে।
ম্যাচে এক মিনিটও খেলেননি বার্কো। শুধু মাঠের পাশে বসে দলের জয় করেছিলেন উজ্জাপন। সেখানে কাউকে আঘাতও করেননি তিনি, কিংবা করেননি ব্যাঙ্গ।

কিন্ত সেখানেও যেন বাধা বেলিংহামের। উলটো বার্কোকে চড় বসিয়ে দিলেন তিনি। সাবেক রিয়াল মাদ্রিদ তারকা নিকো পাজ সেখানে থাকায় এরপর আর উত্তপ্ত হয়নি পরিস্থিতি। তবে হেরে এমন কান্ড নিয়ে উঠেছে নিন্দার ঝড়।
জুড বেলিংহাম তাই ভালো খেলোয়াড় হতে পারেন, তবে তাকে ছাড়িয়ে যাওয়ার খেলোয়াড় রয়েছে আর্জেন্টিনা দলে। মাঠে সেটা স্পষ্টত দেখিয়েছে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। কিন্ত টানা দুইবারের ফাইনালিস্টদের সাথে জুড যে আচরণ করলেন, সেটা তার ক্যারিয়ারে কালো অধ্যায় হয়েই থাকবে। এমনকি লম্বা ক্যারিয়ারে এমন আচরণ করলে ক্যারিয়ারে পতন আসতে পারে বেলিংহামের জন্য।




