বিশ্বকাপ ফাইনালে উঠেছেন দলকে নিয়ে, করেছেন ১২ গোল এসিস্ট। ভাবা হচ্ছিল গোল্ডেন বলটা আবশ্যিকভাবে ভাবেন লিওনেল আন্দ্রেস মেসি, ছিলেন গোল্ডেন বুট ও ব্যালন ডি অরের রেসে।
তবে আর্জেন্টিনা হেরে যাওয়ায় শেষ পর্যন্ত সেসব পাওয়া হয়নি মেসির।
আর সেটাই যেন উজ্জাপন করছেন রোনালদো ভক্তরা। মেসির এই শুন্যহাতে ফিরে যাওয়া তাদের কাছে বড় মুহুর্ত।
অথচ সাম্প্রতিক সময়ে মেসি একের পর এক পুরষ্কার ঠিকই পাচ্ছেন, কিন্ত রোনালদোর কপালে জুটছে হতাশাই।
বিশ্বকাপের ফাইনালের মঞ্চে হেরে বিদায় নেয় আর্জেন্টিনা। বিপরীতে শেষ আটেও যাওয়া হয়না রোনালদোর পর্তুগালের।
মেসি একের পর এক রেকর্ড করেন, জয় করেন একের পর এক পুরষ্কার। সেখানে ধারে কাছেও আসেননা রোনালদো।
এবার তো ইতিহাসের দ্বিতীয় ব্যাক্তি হিসেবে সুপার ব্যালন ডি অর জিততে চলেছেন এলএমটেন, ক্রিশ্চিয়ানোর কপালে এবারো হতাশা।
১৯৮৯ সালে ফ্রান্স ফুটবল ম্যাগাজিন ইউরোপীয় ফুটবলে দীর্ঘ সময় ধরে অসাধারণ অবদান রাখা সর্বকালের সেরা খেলোয়াড়কে সম্মান জানাতে এই বিশেষ সুপার ব্যালন ডি অর চালু করা হয়।
ফুটবলের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ ব্যক্তিগত পুরস্কার ব্যালন ডি’অরের কথা সবাই জানে। তবে এর চেয়েও বিরল একটি স্বীকৃতি আছে, যার নাম সুপার ব্যালন ডি’অর।
ইতিহাসে এখন পর্যন্ত মাত্র একবারই এই পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। ১৯৮৯ সালে আলফ্রেড ডি স্টেফানো পান এই পুরষ্কার। ৪০ বছর পর ২০২৯ সালে আবারো দেওয়া হতে যাচ্ছে এই পুরষ্কার।
আর সেখানে সবচেয়ে এগিয়ে থাকা নাম লিওনেল মেসি। ৩ বার বিশ্বকাপ ফাইনাল, ২ বার সেরা খেলোয়াড়, বিশ্বকাপের গোল এসিস্ট সব রেকর্ডের জায়গায় নিজের নাম, ১ বার বিশ্বকাপ জয়, ৮ বার ব্যালন ডি অর জয়ী মেসি আছেন সবার চেয়ে এগিয়ে।
এই পুরষ্কারে ২০২২ সালেই এগিয়েই গিয়েছিলেন মেসি। ২০২৬ সালে এসে নিজের নামটা যেন আরো উজ্জ্বল করেছেন। ফলে ২০২৯ সালে সুপার ব্যালন ডি অর জয় করা সময়ের ব্যাপার তার জন্য।
বিপরীতে মেসির সাথে দ্বৈরথের কথা বললেও বর্তমানে কোথাও মেসির কাছাকাছি নেই রোনালদো।
তার ভক্তরা নানা সময় মেসিকে ট্রল করলেও কোনকিছুতেই টেক্কা দিতে পারছেনা রোনালদো।
সামনে এই রোনালদোকে টপকেই সুপার ব্যালন ডি অরটাও নিজের করে নিবেন লিও। আর সেখানে আরো একবার তীব্র হতাশা নিয়ে ফেরা ছাড়া কি বা করার আছে রোনালদো ও তার ভক্তদের।




