দীর্ঘদিন ধরে আছেন জাতীয় দলের বাইরে। তবে ভক্তদের নজর এড়াননি৷ যেখানেই খেলেছেন, তাকে নিয়ে ছিল প্রত্যাশা।
সাব্বির রহমানকে জাতীয় দলে দেখতে চেয়েছেন অনেকে। ফেরার সেই সুযোগটাই পেয়েছিলেন সাব্বির রহমান, ইমার্জিং দলে এসে পেয়েছেন জাতীয় দলের রাডার।
তবে সুযোগের প্রথম সিড়িতে ঠিকঠাক পা দিতে পারেননি তিনি৷ মালেশিয়ার সাথে শুরুর সুযোগটা হারান হেলায়।
সেট হয়েও আগের ম্যাচে ইনিংস বড় করতে পারেননি সাব্বির রহমান। ১২ বল থেকে করেন ১৪ রান, জুনায়েদের স্লোয়ার বলে তাকেই ফেরেন ক্যাচ দিয়ে৷ দলের বিপর্যয়ে নামেন মাঠে, নাম্বার চারে যখন আসে তখন দ্রুত উইকেট হারাতে থাকে বাংলাদেশ ইমার্জিং দল।
সাব্বিরের সামনে সুযোগ ছিল নিজের ইনিংস লম্বা করার, সেখান থেকে শেষের দিকে ফিনিশিং দিয়ে নিজেকে চেনানোর।
তবে সাব্বির সেখানে হলো ব্যার্থ, তাতে এক পর্যায়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ।
সুযোগের প্রথম ধাপে ব্যার্থ হলেও, সাব্বিরের সামনে সুযোগ থাকবে আগামী ম্যাচেও। কেননা সিরিজের পরের ম্যাচে আগামীকাল আবার মাঠে নামবে বাংলাদেশ ইমার্জিং দল।
যেখানে মালেশিয়ার সাথে জিতলে সিরিজ জয় নিশ্চিত হবে বাংলাদেশের। তবে দলের চাহিদার চেয়েও সাব্বিরের ব্যাক্তিগত লক্ষ্যও থাকবে সেখানে, চাইবেন দারুণ এক ইনিংস খেলে নিজেকে জানান দেওয়ার
সাব্বির এই কাজটা করতে পারেন। পারেন বলেই তার প্রতি প্রত্যাশা ভক্তদের। জাতীয় দলে একটা সময় সেরা তারকার একজন ছিলেন, বড় বড় ছক্কা হাকানোর জন্য ছিল খ্যাতি। সেটা সাব্বিরও জানেন, এমনকি স্বীকারও করেছেন নিজে। অর্থ্যাৎ ভক্তদের চাওয়া ও নিজের দায়িত্ববোধ সম্পর্কে সচেতন সাব্বির রহমান। এবার শুধু কাজে লাগানোর পালা এটি।
তবে আগামীকালের ম্যাচটাকে শুধু আরেকটি সুযোগ হিসেবে দেখলে চলবে না সাব্বিরের। বরং এটিকে জাতীয় দলে ফেরার পথে নিজের অবস্থান শক্ত করার গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ হিসেবেই নিতে হবে তাকে। কারণ জাতীয় দলের দরজা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়নি, তবে সেখানে জায়গা করে নিতে হলে পারফরম্যান্স দিয়েই নিজের দাবি জানাতে হবে। একটি ভালো ইনিংস হয়তো তাকে সরাসরি জাতীয় দলে ফিরিয়ে দেবে না, কিন্তু নির্বাচকদের নজরে আবারও শক্তভাবে নিয়ে আসতে পারে।
আগামীকাল সাব্বিরের লক্ষ্য তাই পরিষ্কার, পারফর্মেঞ্চ করেই আসতে হবে নজরে। যদি সেই কাজটা করতে পারেন, তবে জাতীয় দলের ভাবনায় আরো এক ধাপ এগিয়ে যাবেন৷ আর সেখানে ব্যার্থ হলে নিজেকে যেন হারানোর তালিকায় দেখবেন এই হার্ডহিটার ব্যাটসম্যান।




