একটা সময় বিশ্ব ক্রিকেটের সেরা অলরাউন্ডার ছিলেন। নামীদামী সব অলরাউন্ডারদের পাশে ছিল তার নাম। তবে বর্তমানে সময় বদলেছে।
নানা কারণে সাকিব আল হাসান জাতীয় দলে নেই, আগের মত নেই তার কার্যকারীতা। সবকিছু মিলিয়েই তাই সেরার লড়াইটাও এখন নেই।
তবে দেশসেরা হিসেবে সাকিব আল হাসানকে এখনও দাবি করতে পারেন অনেক ক্রিকেট ভক্ত।
জাতীয় দলে না খেললেও ফ্রাঞ্চাইজী আসরে সাকিব খেলেন নিয়মিত। বড় বড় আসরে খেলেন, সেখানেও নিজেকে মেলে ধরেন৷
বোলিংটা আগের মতই আছে অনেকটা। বয়স ও পরিস্থিতির জন্য ব্যাটিংটা নেই আগের শেপে, তবে ব্যাটটা ভুলে যাননি।
লঙ্কা লীগ বা এই সময়ে সাকিব নিজেকে জানান দিয়েছেন ব্যাট হাতেও। সাকিব আল হাসানের সামর্থ্য এখনও আছে, আছে অভিজ্ঞতাও। এতকিছু মিলিয়ে সেরার আলোচনা অসম্পুর্ণ বাংলার সর্বকালের সেরা তারকাকে ছাড়া।
তবে সাকিবের অবর্তমানে সবার আগে আসে মেহেদী হাসান মিরাজের নাম। এই মুহুর্তে লাল বলের ক্রিকেটে মিরাজ দেশসেরা অলরাউন্ডার, তাতে সন্দেহ নেই।
তবে প্রশ্নটা আসে সাদা বলের ক্রিকেটে। অডিয়াইতে অধিনায়ক ছিলেন, তবে পারফর্মেঞ্চ তাকে সরিয়েছে জায়গা থেকে৷ ব্যাট বা বল কোথাও মিরাজ আগের মত ভরসাযোগ্য অবস্থানে নেই।
অপরদিকে টি২০ ক্রিকেটে তো জাতীয় দলের রাডারেও নেই৷ তবুও টেষ্ট ক্রিকেটে মিরাজ এলিট অলরাউন্ডার, অডিয়াইতেও অলরাউন্ডার হিসেবেই জায়গা অনেকটা নিয়মিত। সেরার আলোচনা তাই তাকে নিয়ে করতেই হবে।
বল হাতে মাহেদী যতটা প্রাপ্তির, ব্যাট হাতে ততটা আফসোসের। মাহেদী লাল বলের ক্রিকেট খেলেননা, আবার টি২০ ক্রিকেট খেলেন নিয়মিত।
বল হাতে অনেকে তাকে টি২০ তে বাংলাদেশের সেরা বলেন, সেটা কুযুক্তি হবেনা। কিন্ত অডিয়াই ও টি২০ তে ১৩ এভারেজে ব্যাট করা মাহেদী নামের পাশে অলরাউন্ডার ট্যাগ বসাতে পারেননি সেভাবে।
তবুও তার ব্যাটিং সামর্থ্যকে অস্বীকার করার সুযোগ নেই৷ আলোচনার জায়গা পাবেন তিনিও।
সব মিলিয়ে দেশের সেরা স্পিন বোলিং অলরাউন্ডারের তালিকা করলে অন্তত আসবেন এই তিনজন। এদের মাঝে মেহেদী মিরাজ হয়তবা কিছুটা এগিয়ে থাকবেন, তবে সাকিবকে কেউ সেরা বললেও এখনও হবেনা ভুল। এরপর হয়ত শেখ মাহেদী আসবেন আলোচনায়। তবে দর্শকরাই ঠিক করবে, তাদের কাছে আসলেই কে সবার সেরা।




