গত মৌসুমে রিয়াল মাদ্রিদ জার্সিতে ৪৩ গোল করেছেন। বিশ্বকাপে ছিলেন সর্বোচ্চ গোলদাতা, পেয়েছেন গোল্ডেন বুট পুরষ্কার।
এই মৌসুমে ৭ ম্যাচে এর মাঝে করে ফেলেছেন ৮ গোল। লা লীগায় ৬ ম্যাচে গোলসংখ্যা ৭ টি। এই মুহুর্তে বিশ্বের অন্যতম সেরা গোল স্কোরার কিলিয়ান এমবাপ্পে। কিন্ত সেই এমবাপ্পেই এবার গোল করতে নিতে চাইলেন হাতের সাহায্য।
পা দিয়ে গোল করা এমবাপ্পে যেন এবার তুলে আনলেন ডিয়োগা ম্যারাডোনাকে। ৮৬ বিশ্বকাপে ম্যারাডোনার সেই আইকনিক হ্যান্ড অফ গডের কথা জানা সবারই।
সেবার ইংল্যান্ডের গোলরক্ষক পিটার শিল্টনকে পরাস্ত করে লাফিয়ে উঠে হাত দিয়ে গোল দেন ম্যারাডোনা। লাফিয়ে উঠে সেবার গোল করতে হাতের সহযোগীতা নেন ম্যারাডোনা। পরবর্তী সে গোলেই ম্যাচ জয় করে আর্জেন্টিনা, জয় করে বিশ্বকাপও।
৪০ বছর পর আবারো সেই হ্যান্ড অফ গডকেই টেনে আনলেন ফ্রাঞ্চের কিলিয়ান এমবাপ্পে। ঘটনার সুত্রপাত লা লীগার ম্যাচে।
যেখানে এলচের বিপক্ষে মুখোমুখি লড়াইয়ে নামে রিয়াল মাদ্রিদ। ম্যাচের তখন শেষ মিনিটের খেলা চলছিল। এমন সময় উড়ন্ত এক ক্রস আসে এমবাপ্পের সামনে। সেই ক্রসেই এমবাপ্পে লাফ দেন গোলরক্ষকের সাথে। তবে বলটা ঠিকভাবে না আসায় হেড দেওয়ার উপায় ছিল না এমবাপ্পের। শেষ পর্যন্ত সেই বলেই হাত লাগিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন এমবাপ্পে।
যদিও ম্যারাডোনা গোল পেলেও গোল পাননি এমবাপ্পে। অবশ্য এমন কিছু গোল হলেও তা বাতিল হতে পারে ভারের কল্যাণে।
তবে তার প্রচেষ্টা মিলে গিয়েছিল ম্যারাডোনার সাথে। আর এমনটাই তুলে আনলেন কমেন্টেটর। সেখানে এই ঘটনার পর কমেন্টটর বলেন হয়তবা এমন গোল করে ম্যারাডোনাকেই উৎসর্গ করতে চেয়েছিলেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। ম্যারাডোনার গোলের কথাও এরপর আসে কমেন্ট্রি বক্স থেকে।
এলচের বিপক্ষে অবশ্য শেষ হাসি রিয়াল মাদ্রিদই হাসে। বদলি নামা এসপির শেষ মুহুর্তের গোলে ৩-২ গোলে জয় পায় রিয়াল মাদ্রিদ।
এমনকি ম্যাচে উজ্জ্বল ছিল কিলিয়ান এমবাপ্পের পারফর্মেঞ্চও। ৩৩ মিনিটে দলের হয়ে স্কোরশিটেও নাম লেখান এই ফ্রেঞ্চ তারকা।
এরপর দারুণ এক রান নিয়ে শেষ মিনিটে একদম ফাকায় বল বাড়িয়ে দেন এস্পিকে, যেই বল থেকেই গোল আদায় করেন এই তরুণ।
এত ভালো এক ম্যাচ কাটানোর পরও কেন এমবাপ্পে হাত দিয়ে গোল করতে গিয়েছেন, সেটাই বড় প্রশ্ন। তবে কারণটা যাই হোক না কেন, এমন ঘটনা দর্শক মহলে সারা ফেলেছে বেশ ভালোভাবেই। আরো একবার সে কারণেই তাই উঠে এলো ডিয়োগা ম্যারাডোনার সেই হাত দিয়ে গোল করার ইতিহাসও।




