Homeফুটবলইংল্যান্ডের তৃতীয় স্থর থেকে ব্যালন ডি অর জয়, হ্যারি কেনের গল্প...

ইংল্যান্ডের তৃতীয় স্থর থেকে ব্যালন ডি অর জয়, হ্যারি কেনের গল্প অনুপ্রেরণার…

- Advertisement -spot_img

জার্মান স্ট্রাইকার কার্ল হেইঞ্জ রুমিনেগের ৪৫ বছর পর কোন বায়ার্ন মিউনিখ খেলোয়াড় হিসেবে জিতলেন ব্যালন ডি অর।

৩০ বছর পর কোন বুন্দেসলীগার খেলোয়াড়ের হাতে উঠলো এই পুরষ্কার। আর মাইকেল ওয়েনের ২৫ বছর পর কোন ইংলিশ খেলোয়াড় হিসেবে পেলেন ব্যালন। এক রাতে হ্যারি কেনের কীর্তি কম নয়। কিন্ত এর পিছনে গল্পটাও কম অনুপ্রেরণার নয়।

ইংল্যান্ডের টটেনহ্যাম একাডেমিতে যাত্রা শুরু করেন হ্যারি কেন। খেলেন ইংলিশ অনুর্দ্ধ ১৯ দলেও। তবে ইংল্যান্ডের তীব্র প্রতিযোগিতার মুখে পড়েন এই তারকা।

নাম্বার নাইন পজিশনে সেরকম গতি না থাকা ও তার গড়নের জন্য ক্লাবের মুল দলে জায়গা হয়না শুরুতে। ১৯ বছরের কেন তখন খেলতে চলে যান ইংল্যান্ডের তৃতীয় পর্যায়ের লীগে।

সেখানকার ক্লাব লেয়টন অরিয়েন্টের হয়ে এক মৌসুম খেলেন কেন। এরপর লোন শেষ হলেও স্পার্সে মিলেনা জায়গা, পাঠানো হয় দ্বিতীয় স্তরের ক্লাব মিলওয়েলে।

এরপর এই দ্বিতীয় মৌসুমেই ঘুরেছেন একাধিক মৌসুম। খেলেছেন নরউইভ সিটি, লেস্টার সিটির মত ক্লাবে।

শেষ পর্যন্ত একের পর এক ক্লাবে খেলার পর ২০১৩-১৪ মৌসুমে সুযোগ আসে স্পার্সে খেলার।

তবে কেনের জীবন বদলে যায় পরের মৌসুমে। সেবার স্পার্সের হয়ে ৫১ ম্যাচে ৩১ গোল করে আসেন আলোচনায়।

সে বছরই ইংলিশ দলেও আসে প্রথমবারের মত ডাক। এরপর একের পর এক মৌসুম পারফর্ম করতে থাকেন। স্পার্স ও ইংল্যান্ড দলে গোলবন্যা বসিয়ে চলে যান বিশ্বসেরাদের কাতারে। এমনকি অনেকের কাছে বনে যান বিশ্বসেরা নাম্বার নাইনেও।

কিন্ত জীবনে পুর্ণতা আসেনা এরপরও। কেননা গোলের পর গোল করলেও শিরোপা জয় করা হয়না কেনের। কখনও চ্যাম্পিয়নস লীগ ফাইনাল আবার কখনও দেশের হয়ে ইউরো ফাইনাল হার, শিরোপাবঞ্চিত থাকতে হয় কেনকে।

একটা সময় স্পার্সে দীর্ঘ অধ্যায় শেষ করে যোগ দেন জার্মান ক্লাব বায়ার্ন মিউনিখে। উদ্দেশ্য ছিল শিরোপা জয় করা।

কিন্ত টানা বুন্দেসলীগা জিততে থাকা বায়ার্ন সে বছরই জয় করতে পারেনা এই শিরোপা। অগত্য অনেকের মিম ও ট্রলের স্বীকার হন কেন।

তাকে বলা হয় কুফা। একটা সময় ভাবা হচ্ছিল তিনি আর শিরোপাই পাবেননা। তবে পরের মৌসুমেই বায়ার্নের হয়ে জয় করেন ক্যারিয়ারের প্রথম ক্লাব শিরোপা।

আর এর এক বছর পর জয় করলেন ব্যাক্তিগত সর্বোচ্চ পুরষ্কার, যেটা অধরা জাভি, ইনিয়েস্তা, নেইমারের মত তারকাদের।

পুরো মৌসুমে ১০১ গোল এসিস্ট করলেন, সব মিলিয়ে গোলসংখ্যা ৭৩ টি। বায়ার্নের হয়ে ৩ শিরোপার সাথে বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডকে করেছেন তৃতীয়।

হ্যারি কেন যেন প্রমাণ করেছেন কুফা কারো কপালে লেখা থাকেনা। বরং পরিশ্রম ও ধারাবাহিকতা থাকলে সময় লাগলেও সাফল্য ধরা দেয় একদিন।

- Advertisement -spot_img
- Advertisement -spot_img
Stay Connected
16,985FansLike
2,458FollowersFollow
61,453SubscribersSubscribe
Must Read
- Advertisement -spot_img
Related News
- Advertisement -spot_img

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here