এই সময়ে আর্জেন্টিনার মাঝমাঠের গুরুত্বপূর্ণ মুখ তিনি। গত কয়েক বছর ধরেই ক্লাব ও জাতীয় দলের নিয়মিত পারফর্মারদের একজন৷
জাতীয় দলের হয়ে নিয়মিত মিডফিল্ডারের হতে পারে এবার পথ বদল। কেননা তাকে নেওয়ার দৌড়ে যে স্প্যানিশ জায়ান্ট রিয়াল মাদ্রিদ।
২০২৩ সালে ব্রাইটন অ্যান্ড হোভ অ্যালবিয়ন থেকে লিভারপুলে যোগ দেওয়ার পর দ্রুতই দলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়ে পরিণত হন ম্যাক অ্যালিস্টার।
এরপর লিভারপুলের হয়ে জিতেন ইপিএল শিরোপাও, চ্যাম্পিয়নস লীগেও দেখান দাপট৷ তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অনেক পরিবর্তন আসে লিভারপুল দলে।
আর সেখানে শোনা যায় দলবদল করতে পারেন এলিস্টার। এবার সেই সুযোগটাই যেন কাজে লাগাতে চাইছে রিয়াল মাদ্রিদ, এলিস্টারকে নিতে দিচ্ছে প্রস্তাব।
এ নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করেছে ট্রান্সফারফিড, ওয়ানফুটবল সহ একাধিক বড় বড় মাধ্যম। এছাড়া বার্নাব্যু জার্নালও সংবাদ প্রকাশ করে এই ব্যাপারে।
সেখানে বলা হয় বর্তমানে লিভারপুলের সাথে চুক্তি নবায়ন করতে আগ্রহী নয় এলিস্টার। দীর্ঘমেয়াদী চুক্তি না করে আগামী গ্রীষ্মে ক্লাব ছাড়তে পারেন তিনি।
আর সেখানেই ৬০ মিলিয়ন ইউরো তার জন্য প্রস্তাব করতে পারে রিয়াল মাদ্রিদ৷ বাংলাদেশের টাকায় যা দাঁড়ায় ৭৫০ কোটির বেশি অর্থ
সেক্ষেত্রে অবশ্য রিয়াল মাদ্রিদও খেলোয়াড় ছাড়তে প্রস্তত বলেও জানানো হয়৷ বলা হয় হোসে মরিনহোর পছন্দের একজন ম্যাক এলিস্টার।
যদি এলিস্টার আসে রিয়াল মাদ্রিদ দলে, তবে কামাভিঙা বা শুয়েমিনির মাঝে একজন ছাড়তে পারেন ক্লাব৷
ফুটবল ইনসাইডারের মতে, এলিস্টারকে নিতে আগে থেকেই আগ্রহী ছিল অনেক বড় বড় ক্লাব। তবে সেখানে সবচেয়ে বড় নাম রিয়াল মাদ্রিদই।
বেশ অনেকদিন ধরেই এলিস্টারকে পর্যবেক্ষণে রাখছে ক্লাবটি। এবার লিভারপুলের সাথে এলিস্টারের বর্তমান সম্পর্ক কাজে লাগিয়ে এই আর্জেন্টাইনকে আনতে চায় নিজেদের ডেরায়।
ম্যাক অ্যালিস্টারকে দলে পেলে রিয়াল মাদ্রিদের মাঝমাঠে যে নতুন মাত্রা যোগ হবে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
বিশেষ করে বড় ম্যাচে চাপ সামলে খেলা এবং আক্রমণ তৈরিতে তাঁর দক্ষতা রিয়ালের জন্য হতে পারে বাড়তি সম্পদ।
তবে লিভারপুলও সহজে এমন একজন গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়কে ছাড়তে চাইবেনা। এই মৌসুমে ক্লাবের হয়ে ১১ ম্যাচে ৪ গোল এসিস্টারের। নতুন কোচ ইরিওলার তরুণ দলে দরকার এলিস্টারের মত একজন খেলোয়াড়কে
আবার ট্রেন্ট ইস্যুর পর মাদ্রিদের সাথে সম্পর্ক আগের মত নেই লিভারপুলের। তাই সব মিলিয়ে আলোচনা থাকলেও এই ট্রান্সফার বাস্তবে রুপ নেওয়া বেশ জটিল৷
তবে এলিস্টার যেখানেই যাক, তার পারফর্মেঞ্চের ধারা অব্যাহত থাকুক এটাই চাওয়া আর্জেন্টাইন ভক্তদের৷




