Homeফুটবলবে*টিং বন্ধের নির্দেশ ব্রাজিল সরকারের, বড় ক্ষতির মুখে ব্রাজিলের ক্লাব!

বে*টিং বন্ধের নির্দেশ ব্রাজিল সরকারের, বড় ক্ষতির মুখে ব্রাজিলের ক্লাব!

- Advertisement -spot_img

নতুন করে আবারো ব্রাজিলের রাষ্ট্রক্ষমতায় প্রেসিডেন্ট লুলা দি সিলভার। তবে ক্ষমতার চেয়ারের লোক বদল না হলেও বদল হয়েছে আইনে।

ব্রাজিলে সরকারিভাবেই নিষিদ্ধ করা হয়েছে বেটিং বা জুয়ার কোম্পানি। আর এর সবচেয়ে বড় ভুক্তিভুগী হচ্ছে ব্রাজিলের বিখ্যাত ক্লাবগুলো।

কেননা বেটিং থেকে তাদের আয় দুই শত কোটি টাকার অধিক।

বিষয়টি কতটা বড় আর্থিক ধাক্কা, তা বোঝা যায় ২০২৫ সালের হিসাব দেখলে। স্পোর্টস ভ্যালুর তথ্য অনুযায়ী, ব্রাজিলের শীর্ষ ২০টি ক্লাব গত বছর বেটিং কোম্পানিগুলোর কাছ থেকে প্রায় ১১৪ কোটি ৩০ লাখ রিয়াল পেয়েছিল।

যা বাংলাদেশের টাকায় দ্বাড়ায় ২২০ কোটি টাকার মত। বছরের ক্লাবগুলোর সম্মিলিতভাবে যে বিপণন আয় থাকে, সেটার প্রায় ৩৪ শতাংশ এসেছে এই খাত থেকে। অর্থ্যাৎ ক্লাবগুলোর অর্থের যোগানের বড় উৎস দিয়েছিল এই বেটিং কোম্পানি গুলো।

এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি অর্থ পেত লীগ চ্যাম্পিয়ন ফ্লামেঙ্গো। বেটিং স্পনসরশিপ থেকে তাদের আয় ছিল প্রায় ২৬ কোটি ৯০ লাখ রিয়াল।

আরেক জায়ান্ট করিন্থিয়ান্স পেয়েছিল ১৫ কোটি রিয়াল। সাও পাওলো ১১ কোটি ৩০ লাখ এবং পালমেইরাস মত ক্লাবগুলোর এই জায়গা থেকে পেয়েছে প্রায় ১০ কোটি রিয়াল। সাও পাওলোর বিপণন আয়ের ৭৩ শতাংশই এসেছিল এই বেটিং খাত থেকে।

শুধুমাত্র জার্সি থেকে লোগো সরানোতেই ক্ষতির মুখে পড়তে হবে ব্রাজিলের বড় বড় ক্লাবগুলোকে। ব্রাজিলের সিরি আ-তে ১৩ থেকে ১৪টি ক্লাবের প্রধান স্পনসর ছিল কোনো না কোনো বেটিং প্রতিষ্ঠান।

সব মিলিয়ে ১৮ থেকে ২০টি ক্লাবকে নিজেদের জার্সি ও স্টেডিয়াম থেকে বেটিং কোম্পানির বিজ্ঞাপন সরাতে হচ্ছে। যা নিসন্দেহে বড় ধাক্কা ব্রাজিলের ক্লাবগুলোর জন্য

তবে ক্লাবগুলো অবশ্য এই সিদ্ধান্ত মেনে নিতে পারছেনা। ২ অক্টোবরের মধ্যে ১৬টি ক্লাব এই নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে আইনি চ্যালেঞ্জেও অংশ নেয়।

তাদের দাবি ছিল, বেটিং খাত আগে থেকেই নিয়ন্ত্রিত ছিল এবং চুক্তিগুলোও বৈধভাবে সম্পন্ন হয়েছিল। যদিও এই দাবির প্রেক্ষিতে বেটিং সাইট পুনর্বহালের কোন আদেশ আসেনি ব্রাজিল সরকার বা সিরিআ কতৃপক্ষ থেকে।

যদিও চাইলে বিকল্প স্পন্সর রয়েছে ব্রাজিলে। কেননা সিরিআতে বর্তমানে ১৬৪ ব্রান্ডের উপস্থিতি রয়েছে স্পন্সর হিসেবে।

এর মাঝেই
ফার্মাসিউটিক্যাল প্রতিষ্ঠান সিমেড ইতোমধ্যে স্পনসর হারানো দশটি ক্লাবের সঙ্গে আলোচনা করছে বলে জানিয়েছে।

গ্রিন সিগন্যাল পেলে এগিয়ে আসতে পারে আরো একাধিক ক্লাব।

সব মিলিয়ে আগামী দিনে বেটিং থাকবে কিনা তা জানা যাবে প্রেসিডেন্টের সিদ্ধান্তের উপরই। আর ব্রাজিলের ক্লাবগুলোই এই ক্ষতি কাটিয়ে কিভাবে লীগের মান ধরে রাখে, তার দিকেও চেয়ে থাকবে ভক্তরা।

- Advertisement -spot_img
- Advertisement -spot_img
Stay Connected
16,985FansLike
2,458FollowersFollow
61,453SubscribersSubscribe
Must Read
- Advertisement -spot_img
Related News
- Advertisement -spot_img

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here