কখনও মেসি, কখনও রোনালদো। কখনও বা হ্যারি কেন ও ডেম্বেলেরা পান এই পুরষ্কার। ফুটবলে ব্যালন ডি অর পুরষ্কার নিয়ে আলোচনা থাকে প্রায় সারা বছর।
কিন্ত যদি ক্রিকেটাঙ্গন দেওয়া হত এই পুরষ্কার, তবে কে বা কারা পেতো এই পুরষ্কার? তিন ফরম্যটে পারফর্মেঞ্চ ও শিরোপা অর্জনে অনেক নামী দামী খেলোয়াড়রা থাকতেন আলোচনায়।
সেই তালিকায় বাংলাদেশের সাকিবের নাম এই আলোচনায় আসবে, সেটি অনেকটাই নিশ্চিত। দীর্ঘদিন ধরে তিন সংস্করণেই বিশ্বের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার ছিলেন তিনি।
ব্যাট হাতে রান করার পাশাপাশি বল হাতেও নিয়মিত উইকেট নিয়েছেন। ২০১৫ সালে তো টেস্ট, ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি তিন সংস্করণেই অলরাউন্ডারদের র্যাঙ্কিংয়ে এক নম্বরে ছিলেন এই বাংলাদেশি তারকা।
তবে সাকিবের সবচেয়ে বড় দাবিটা আসত ২০১৯ সালে। ইংল্যান্ড বিশ্বকাপে ব্যাট হাতে ৬০৬ রান করার পাশাপাশি বল হাতে নিয়েছিলেন ১১ উইকেট।
পুরো টুর্নামেন্টজুড়েই ছিলেন বাংলাদেশের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ক্রিকেটার। এক বিশ্বকাপে ৬০০ রান ও ১০ উইকেট নেওয়ার কীর্তি এর আগে আর কারও ছিল না। এমন পারফরম্যান্সের পর ক্রিকেটের ব্যালন ডি’অরের আলোচনায় সাকিবের নাম নিশ্চিতভাবে সবার আগেই আসত।
তবে পুরস্কার জেতার পথে তাঁর সবচেয়ে বড় প্রতিদ্বন্দ্বী হতে পারতেন বেন স্টোকস। বিশ্বকাপ ফাইনালে অসাধারণ ইনিংস এবং অ্যাশেজে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে ২০১৯ সালটা স্মরণীয় করে রেখেছিলেন ইংলিশ অলরাউন্ডার। তাই সাকিবের হাতে পুরস্কার উঠত, নাকি স্টোকসের,তা নিয়ে থাকত তুমুল বিতর্ক।
অন্য বছরগুলোতেও থাকত বড় বড় নামের দাপট। বিশ্বকাপ জয় ও বড় আসরে পারফর্মেঞ্চে ২০১৫ এর ব্যালন যেতে পারত স্মিথের কাছে।
আবার ৩ ফরম্যাটে অতিদানবীয় পারফর্ম করা ভিরাট পেতে পারতেন ২০১৭ ও ২০১৮ সালের ব্যালন ডি অর।
বাবর আজম, শাহীন আফ্রিদি বা জস বাটলাররা থাকতেন ২০২১ সালের ব্যালন ডি অরের দাবিদার। বিশ্বকাপ ও টেষ্ট চ্যাম্পিয়নশিপ জয়ের পর ২০২৩ সালে ব্যালন ডি অর পেতে পারতেন ট্রাভিস হেড।
তবে ভারতকে টি২০ বিশ্বকাপ জিতিয়ে বুমরাহ এর কাছে যেতে পারত ২০২৪ সালের পুরষ্কার।
নিজের ক্যারিয়ারে সাকিবের ব্যালনের পথে বড় বাধা হতে পারত দলগত শিরোপা না পাওয়া। তবে এরপরও সাকিব যতটা ধারাবাহিক পারফর্মার ছিলেন, সেরাদের তালিকায় সাকিব যে নিয়মিত থাকতেন তাতে নেই কোন সন্দেহ।




