পোর্তো থেকে এই মৌসুমে তাকে দলে ভেড়ায় ইপিএলের ক্লাব বোর্নমাউথ। এই ট্রাঞ্জিশন মোটেও সহজ ছিল না তার জন্য। ইপিএলের চেয়ে তুলনামুলক সহজ লীগ পর্তুগীজ লীগ। এছাড়া সেখানের অন্যতম বড় ক্লাবে খেলতেন তিনি। সেখান থেকে ইপিএলের মত লীগে আসেন তিনি। যোগ দেন মাঝারি বা তুলনামূলক নিচু সারির ক্লাব এফসি বোর্নমাউথে।
ফলে শুরুতে কিছুটা ধুকছিলেন এই ব্রাজিলিয়ান। তবে সময়ের সাথে সাথে নিজেকে দারুণভাবে মানিয়ে নেন তিনি। গত মৌসুমে ২৫ গোল করেছেন, সাথে ছিল ৪ এসিস্ট। এ বছর শুরুতে গোল না পেলেও একটা সময় গোল পান। তবে সেখানে বাধা হয়ে দাঁড়ায় ইঞ্জুরি। কিন্ত এই ইঞ্জুরি থেকে ফিরেই চমৎকার ফর্ম এই ব্রাজিলিয়ান তারকার
জানুয়ারির ৪ তারিখ ম্যাচ খেলেন এই তারকা। এরপর ফেব্রুয়ারিতে ফিরলেও এক ম্যাচ ছিলেন বেঞ্চে, আরেক ম্যাচে নামেন ১৩ মিনিটের জন্য। কিন্ত যেদিন থেকে পুর্ণ সময় সুযোগ পেয়েছেন, সেদিন থেকেই গোলের পর গোল করে যাচ্ছেন এভানিলসন।
উলভসের বিপক্ষে শুরু, এরপর স্পার্সের বিপক্ষে আদায় করেন গোল। গোল আদায় করেন ম্যানসিটি, ইপসুইচের বিপক্ষে। এবার জোড়া গোল আদায় ওয়েস্ট হ্যামের বিপক্ষে।
এই ম্যাচের সবগুলোতে এভানিলসনের গোল গড়ে দেয় ব্যাবধান। একমাত্র ম্যানচেস্টার সিটির বিপক্ষে এভানিলসন দলের একমাত্র গোল করলেও দল হেরে যায় ২-১ গোলে। বাকি সব ম্যাচে এভানিলসনের গোলের কারণে দল জয়লাভ করে, অথবা ড্র করে
মাঠের খেলায় এভানিলসন গোল করতে ভালোবাসেন। এর আগে দুই মৌসুমে ২০ এর অধিক গোল করেছেন। এই মৌসুমেও এসিস্ট নেই তার, গোলই করেছেন ৯ টা।
অর্থ্যাৎ সঠিক কোচের তত্ত্বাবধানে থাকলে গোলক্ষরা কাটানোর ভুমিকা এভানিলসন ভালোভাবেই পালন করতে পারেন। কেননা ব্রাজিল দলে উইঙে তারকার ছাড়াছড়ি। শুধু সুযোগ কাজে লাগাতে হবে সেলেসাওদের।
সেই সুযোগ কাজে লাগাতেই আগ্রহের কেন্দ্রে আসতে পারেন এভানিলসন। এর আগে জাতীয় দলের হয়ে ২ ম্যাচ খেললেও এভানিলসন আগামী দিনে করতে পারেন নিজের নতুন শুরু। সেক্ষেত্রে আগামী দিনে হাইপ্রোফাইল কোন কোচ আসতে পারেন ব্রাজিলের দায়িত্ব।
সেই কোচের মন জয় করে ব্রাজিল দলে এসে ব্রাজিলকে বদলে দেক এভানিলসন, এমনটাই চাওয়া ভক্তদের। এমন কিছুই যেন ব্রাজিলের ফুটবলের করতে পারে দিন বদল।




