ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ও বার্নলির বয়সভিত্তিক দলে খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। তার গতি ও শারীরিক দক্ষতা নজর কেড়েছিল আগেই।
সাফের জন্য বাংলাদেশেও এসেছিলেন বেশ আগেভাগেই। সেই আডাম আব্বাস এবার সুযোগ পেলেন সাফের চুড়ান্ত দলে।
আসন্ন এএফসি অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়ান কাপের বাছাইপর্বকে সামনে রেখে ঘোষিত দলে জায়গা পেয়েছেন দেশের ফুটবলের পরিচিত তরুণদের পাশাপাশি প্রবাসী বেশ কয়েকজন ফুটবলার।
তবে তাদের ইংল্যান্ডের ফুটবল কাঠামো থেকে উঠে আসা এডাম আব্বাসকে ঘিরেই অবশ্য সবচেয়ে বেশি আলোচনা। সেই আব্বাস এবার হচ্ছেন বাংলাদেশ দলের অংশ।
দলের গোলরক্ষক বিভাগে আছেন এসপি রাফিজ, নাহিদুল ইসলাম ও রাজ চৌধুরী। নাহিদুল ও রাজ এরই মধ্যে বয়সভিত্তিক জাতীয় দলে গোলরক্ষক হিসেবে খেলেছেন। ২০২৫ সালের অনূর্ধ্ব-১৯ দলেও তাদের নাম ছিল। রাফিজও বয়সভিত্তিক জাতীয় দলের নিয়মিত মুখ।
রক্ষণভাগে জিদান ইউসুফ বড় সংযোজন। বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এই প্রবাসী ফুটবলার মূলত সেন্টারব্যাক হিসেবে খেলেন।
তার সঙ্গে আছেন অধিনায়ক মিঠু চৌধুরী, ইহসান রিদওয়ান, রিয়াদ ফাহিম, শেখ সংগ্রাম ও শরিফ নীরব। মিঠু চৌধুরী রক্ষণভাগের মুল ভরসার নাম। আগে থেকেই বয়সভিত্তিক দলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।
ইহসান রিদওয়ান মূলত লেফট ব্যাক হিসেবে পেয়েছেন জায়গা। রিয়াদ ফাহিমের প্রধান অবস্থান সেন্টারব্যাক। শেখ সংগ্রাম খেলে থাকেন লেফট ব্যাকে। । শরিফ নীরবের অবস্থান ডিফেন্সের সেন্টার ব্যাক পজিশনে।
মাঝমাঠে বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নাম নাজমুল হুদা ফয়সাল। আক্রমণাত্মক মিডফিল্ডার হিসেবে খেলা ফয়সাল এরই মধ্যে বয়সভিত্তিক পর্যায়ে নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছেন। তিনি ২০২৫ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-১৭ আসরে সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কারও জিতেছিলেন। তার সঙ্গে মাঝমাঠে আছেন কামাল মের্ধা ও সিয়াম অমিত। কামাল মের্ধা সেন্ট্রাল মিডফিল্ডে খেলেন, আর সিয়াম অমিতও মাঝমাঠের অংশ। সাফে গুরুত্বপুর্ণ হতে পারে এই খেলোয়াড়দের ভুমিকা।
আক্রমণভাগে রয়েছে বেশ কিছু পরিচিত মুখ। ফারজাদ আফতাব মূলত আক্রমণভাগের খেলোয়াড় এবং লেফট উইঙে খেলতে পারেন।
দলে আছেন মাহি খান, যিনিও এক প্রবাসী ফুটবলার। তিনি মূলত স্ট্রাইকার বা কেন্দ্রীয় ফরোয়ার্ড হিসেবে খেলেন। অন্যদিকে মানিক সেন্টার ফরোয়ার্ড হিসেবে পরিচিত। জয়ও আক্রমণভাগের গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়, খেলে থাকেন রাইট উইঙ পজিশনে। । ২০২৫ সালের অনূর্ধ্ব-১৯ দলেও ফারজাদ, মানিক ও জয় ছিলেন, আরো একবার অনুর্দ্ধ ২০ হয়ে খেলবেন দক্ষিণ এশিয়ান আসর।
স্কোয়াডে আরও আছেন ইশান মালিক, ফারজাদ আফতাব, মাসুদ রানা, সাইফুল, ইকরাম, আপু, শিয়াম অমিত, শরিফ নীরব, রাইসুল রহিদ ও আমিন তানজিল। এদের মধ্যে আমিন তানজিল ইতালি থেকে আসা প্রবাসী খেলোয়াড় এবং দীর্ঘমেয়াদি যুব উন্নয়ন পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই তাকে দলে বিবেচনা করা হয়েছে।
সব মিলিয়ে শক্তিশালী দলই ঘোষণা বাংলাদেশ দলের। এবার দেখা যাক, এডাম আব্বাস, ফয়সালদের নিয়ে কেমন করে বাংলাদেশ অনুর্দ্ধ ২০।




