এক ম্যাচ বাকি থাকতেই পাকিস্তানের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ হার নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ। লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় ম্যাচে স্বাগতিকদের কাছে ৫৭ রানে হেরে গেছে লিটন কুমার দাসের দল।
বড় লক্ষ্য তাড়ায় শুরুতে কিছুটা আলো দেখালেও শেষ পর্যন্ত আবারও আত্মসমর্পণ টাইগার ব্যাটিং লাইনআপের।
যেখানে বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইন-আপ ধসে পড়ে তাসের ঘরের মতো, ঠিক তখনই নয় নম্বরে ব্যাট হাতে দাঁড়ালেন তানজিম হাসান সাকিব।
৩১ বলে ৫০ রানের ইনিংস খেলে শুধু হারের ব্যবধানই কমাননি, গড়েছেন এক অনন্য বিশ্বরেকর্ডও। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে টেস্ট খেলুড়ে দেশের কোনো ব্যাটার হিসেবে তিনিই প্রথম যিনি ৯ নম্বরে নেমে ফিফটি করলেন। তবে ক্রিকেটের বাস্তবতায় সাকিবের ইনিংস অনেক বেশি তাৎপর্যপূর্ণ।
অন্যদিকে, দলের সিনিয়র ব্যাটাররা যেন দায়িত্ব ভুলে পিকনিক করতে নেমেছিলেন। একে একে সবাই ফিরেছেন সাজঘরে কোনো দৃঢ়তা দেখাতে না পেরে। সবচেয়ে হতাশ করেছেন তাওহিদ হৃদয়। এলবিডব্লুর ফাঁদে পড়ে ফিরেছেন মাত্র ১ রান করে।
যদিও রিভিউ সিস্টেম (ডিআরএস) থাকলে হয়তো বেঁচে যেতেন, তবে লিটনের ভাষায়, “তাও যদি বাঁচত, বাকিরা তো চোখ বন্ধ করে আউট হয়ে আসছিল। ব্যাটিং না করে টিকিট কেটে বাসে চড়লেই হতো!”
লিটন আরও বলেন, “শরীফুল চোট পাওয়ার পর থেকেই মোমেন্টাম ওদের দিকে গেছে।
তবে ২০০ রান তাড়ার মতো ব্যাটিং লাইনআপ যদি আমরা না বানাতে পারি, তাহলে কি আর উইকেট দোষ দিয়ে লাভ আছে?” লিটনের এমন মন্তব্যে হাসির রোল উঠলেও, বাস্তব চিত্র ছিল আরো হতাশাজনক।
পাকিস্তান আগে ব্যাট করে তোলে ২০১ রান। শাহিবজাদা ফারহান ৪১ বলে ৭৪, মোহাম্মদ হারিস ২৫ বলে ৪১, আর হাসান নেওয়াজ ২৬ বলে অপরাজিত ৫১ রানের ইনিংস খেলেন। জবাবে বাংলাদেশ গুটিয়ে যায় মাত্র ১৪৪ রানে। ওপেনার তানজিদ তামিম শুরুতে ঝড় তুললেও ১৯ বলে ৩৩ রান করেই ফিরে যান। বাকিরা ছিলেন “আসা-যাওয়ার” পথে।




