গত বিশ্বকাপে টাইব্রেকের আগে তর্কযুদ্ধে জড়ান বারবার। প্রতিপক্ষের টেকারদের ফেলে দেন মানসিক চাপে।
সেই চাপের ফল পেয়েছিল আর্জেন্টিনা দল। এমির এমন চাপের পর বিশ্বকাপটাই হাতে তোলে আর্জেন্টিনা।
এরপর সেটা নিয়ে হয় অনেক আলোচনা সমালোচনা। সেই আলোচনা সমালোচনার পর বদল আসে ফিফার নিয়মে
এবার আরো এক আর্জেন্টাইন এর জন্য বদল হচ্ছে পেনাল্টির নিয়ম।
তবে গতবার এমির বিরুদ্ধে গিয়েছিল রায়। এবার ভুক্তভোগী হওয়ার পর পেনাল্টির সুবিধা পাচ্ছেন আলভারেজ।
সেখানে আর্জেন্টাইন এক স্ট্রাইকারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে হয় এমন কিছু।
ঘরের মাঠে রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে ড্র করে দ্বিতীয় লেগে যায় এথলেটিকো মাদ্রিদ। সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে মাদ্রিদ শুরুতে এক গোল করলে সে গোল শোধ দেন হুলিয়ান আলভারেজ।
আলভারেজের গোলের পর ম্যাচে সমতা পায় এথলেটিকো। ফলে চ্যাম্পিয়নস লীগের ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকে।
টাইব্রেকে শট করতে এসে বল জালে জড়ান আলভারেজ। কিন্ত তার শটে করা গোল হয়ে যায় বাতিল।
কেননা সেখানে চেক করা দেখা যায় বলে দুইবার স্পর্শ করেছেন আলভারেজ।
পেনাল্টি ডাবল টাচ নিষিদ্ধ, তাই সে কারণে বল জালে জড়িয়েও গোল বঞ্চিত থাকেন আলভারেজ। শেষ পর্যন্ত যে কারণে ম্যাচ হেরে বিদায় নিতে হয় এথলেটিকো মাদ্রিদকে।
তবে সেদিন আলভারেজের ডাবল টাচ ইচ্ছাকৃত ছিল না। বরং মাঠে স্লিপ কেটে পড়ে যান তিনি।
আর সেখানেই নিয়ম ফিফার। বর্তমান নিয়মেও ডাবল টাচ হলে পেনাল্টি বাতিলের ঘোষণা ফিফার।
সেক্ষেত্রে গোল করলেও হবেন গোলবঞ্চিত। তবে এক শর্তে রক্ষা পাবেন ফুটবলাররা।
যদি খেলোয়াড় অনিচ্ছাকৃত পড়ে যান তবে বাতিল হবেনা পেনাল্টি। সেক্ষেত্রে আবার পেনাল্টি মারার সুযোগ পাবেন তারা।
গোল হলেও সেক্ষেত্রে আবার পেনাল্টি নিয়ে আদায় করতে হবে রেজাল্ট।
সব মিলিয়ে আর্জেন্টাইন আলভারেজে এবার বদলে গেলো নিয়ম। এই নিয়ম আগে প্রয়োগ করা হলে হয়ত সেদিন রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে হারতে হতোনা এথলেটিকো মাদ্রিদকে।
আলভারেজের চ্যাম্পিয়নস লীগ জার্নিটা হত বড়। তবে সেদিনের তার ঘটনা তৈরি করে আলোড়ন।
যে কারণে নিয়ম বদলাতে বাধ্য হয় ফিফা। এবার দেখা যাক, নতুন নিয়মে উপকৃত হন কয়জন ফুটবলার।




