হামজা দলে যুক্ত হবার পর এখন সাউথ এশিয়ার সবচেয়ে শক্তিশালী দল বাংলাদেশকে বলা যেতে পারে,একজন খেলোয়াড়ই বদলে দিয়েছে অনেক কিছু।
তবে একজন নয়,আরো ২ তারকার অন্তর্ভুক্তি দলকে বদলে দিতে পারে এই উইন্ডোতেই,বিশেষ করে ইতোমধ্যে ফাহমিদুল-হামজা-সমীতরা ডাক পেয়েছেন এই স্কোয়াডে।ফাহমিদুল আলো ছড়িয়েছেন ভুটান ম্যাচেই।
কিন্তু ফাহমিদুল উইঙ্গার হলেও,হামজা সমীতের সাথে শীঘ্রই যুক্ত হচ্ছেন আরেক দুর্দান্ত মিডফিল্ডার,তিনি আলোচিত কিউবা মিচেল।যদিও একদিন পরের ম্যাচে নেই তিনি।তাছাড়া মিডফিল্ডে আগে থেকেই দুর্দান্ত খেলছেন আরো কয়েকজন লোকাল খেলোয়াড়!
সেক্ষেত্রে বাংলাদেশের মিডফিল্ডে খেলতে পারেন কাজিম শাহ,হৃদয়,মুরসালিন,জামাল ভুইয়া,সোহেল রানারা। বাংলাদেশের সেরা একদশে সেন্ট্রাল মিডফিল্ডে খেলবেন হামজা চৌধুরী, ডিফেন্স ও এটাকের সাথে সামঞ্জস্য করবেন তার খেলা দিয়ে।
এছাড়া এই পজিশনের জন্য হামজার বিকল্প হিসেবে বেঞ্চে অপেক্ষা করবেন হৃদয়,আর অন্য মিডফিল্ডার হবেন সমীত শোম।হামজার তুলনায় কিছুটা অফেন্সিভে খেলবেন সমীত শোম,মিডের সাথে এটাকেও বেশ সাহায্য করতে পারেন এই সাবেক কানাডিয়ান ইন্টারন্যাশনাল।
এছাড়া যদি এই পজিশনে ডিফেন্সিভ কাওকে প্রয়োজন হয়,সেক্ষেত্রে ক্যাপ্টেন জামাল ভুইয়াকে দেওয়া হতে পারে সুযোগ।
অন্যদিকে গত ম্যাচে এটাকিংয়ে আলো ছড়িয়েছেন কাজিম শাহ।
সেক্ষেত্রে কাজিমকে ফরওয়ার্ডে খেলিয়ে,হামজা-সমীত-জামাল , অর্থাৎ প্রবাস থেকে আসা তিন মিডফিল্ডার দিয়েই সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে একাদশ সাজাতে পারে বাংলাদেশ। ইতোমধ্যে হোম ও এওয়ে দুইজায়গায়ই অভিষেক হয়েছে হামজা চৌধুরীর,করেছেন গোলও,অন্যদিকে বাংলাদেশে আসা
সমীতের অভিষেক হবে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে,
আগামী ১০ তারিখ সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে বড় এই লড়াইয়ে মাঠে নামছে টাইগাররা।




