Homeফুটবলইজি পেনাল্টি দেয়নি রেফারি! বাংলাদেশকে হারানোর নায়ক কি সিঙ্গাপুরের সেরা খেলোয়াড় রেফারি?

ইজি পেনাল্টি দেয়নি রেফারি! বাংলাদেশকে হারানোর নায়ক কি সিঙ্গাপুরের সেরা খেলোয়াড় রেফারি?

- Advertisement -spot_img

খেলার তখন ছিলো ৯৩ তম মিনিটের ,বাংলাদেশ ছিলো এক গোলে পিছিয়ে,আর তখনি ফাহিমের দুর্দান্ত ড্রিবলিংয়ে ব্যার্থ হয়ে ডি বক্সেই ট্যাকেল করে বসেন,তবে বল লাগেনি পায়ে,বরং সিঙ্গাপুরের ঐ খেলোয়াড়ের পা লেগেছিলো ফাহমের পায়ে,অথচ রেফারি পেনাল্টি না দিয়ে দিয়েছে কর্নার!

এই এক সিদ্ধান্তেই যেন পয়েন্ট খোয়ালো বাংলাদেশ, অবশ্য পুরো ম্যাচ জুড়েই ছিলো রেফারীর এক পেশে সিদ্ধান্ত, তবে শুরু আর শেষদিকে দারুন খেলেছে বাংলাদেশ,
র‍্যাংকিংএ বাংলাদেশের চেয়ে ২০ ধাপ এগিয়ে থাকা সিঙ্গাপুর। ম্যাচের ফলেও এগিয়ে সিঙ্গাপুর।

বাংলাদেশের ঘরের মাঠে এসে বাংলাদেশকে হারিয়ে গেছে ২-১ ব্যাবধানে। সবকিছুই স্বাভাবিক এই তথ্যে, তবে এই তথ্যের মত ছিল না ম্যাচের চিত্র।

অন্যদিনের মত গোলরক্ষক মিতুল মার্মা তার সেরা ফর্মে ছিলেন না। দুই গোলই সিঙ্গাপুর পেয়েছেন রিবান্ড থেকে।

একবার মিতুল সামনে যাবেন কিনা আলোচনা হচ্ছিল, আর একবার তার পাঞ্চ মনমত হয়নি ভক্তদের।

একসান ফান্দিকে নিয়ে ফন্দি আটা হলো না বাংলাদেশের। বরং আরো একবার বিপদের কারণ হলেন ফন্দি। আর এর সাথে সিঙ্গাপুরের হয়ে গোল করলেন সঙ। বাংলাদেশের প্রাপ্তি রাকিবের এক গোল।

আগের ম্যাচে হামজা গোল করেছেন, এই ম্যাচে পেয়েছেন এসিস্ট। কিন্ত তাতে কাজের কাজ হয়নি বাংলাদেশের।

শুরুর হাফে ডিফেন্স লাইনেই বেশি মনযোগী ছিলেন। অনেকটা থার্ড সেন্টার ব্যাক হয়ে গেলেন। উইঙে রাকিবকে সহযোগিতা করতে শাকিল এগিয়ে আসেন।

তপুর একের পর এক ক্রসে ভালোই সুযোগ তৈরি করে বাংলাদেশ।

এর সাথে ফাহমিদুলরা আক্রমণে উঠেন। রাকিব উইঙে ভালো কিছু রান নিলেও অবশ্য শুরুর হাফে নাম্বার নাইনে খানিকটা অকার্যকরই ছিলেন।

সেখানে নজর কেড়েছিলেন একজন। কানাডা থেকে আসা সোমিত সোম। তার এক এক ফরোয়ার্ড পাস ও বিল্ডাপ যেন প্রমাণ করিয়ে দিচ্ছিল কেন কানাডিয়ান লীগের নিয়মিত খেলোয়াড় সোমিত।

তবে রাকিবের নাম্বার নাইনে যাওয়ার আর উইঙে শাকিলের বারবার উঠে আসায় যেন কাল হয়ে যায় বাংলাদেশের।

প্রথমার্থের শেষদিকে বাংলাদেশের গোল হজম করে।

মিতুল কিছুটা এলেমেলো ছিলেন বটে, তবে শাকিল তার মার্কারকে ছেড়ে দিয়েই যেন জায়গা করে দেন। আর সেই সুযোগটা পেয়েই যেন গোল আদায় সিঙ্গাপুরের।

এরপর সিঙ্গাপুর আরো এক গোল দিয়েছে। ভাবা হচ্ছিল সেখানেই খেলা শেষ বাংলাদেশের।

কিন্ত সেখান থেকেই যেন শুরু বাংলাদেশের। সাদা জার্সি পড়ে যেন এদিন যেন রিয়াল মাদ্রিদের আত্মা ভর করে বাংলাদেশের উপর। একের পর এক আক্রমণ করে প্রতিপক্ষকে নাজেহাল বানিয়ে দিয়ে তারা।

বদলি নেমে ইমন, ফাহিমরা চেষ্টা করেন। তবে উইঙে চেষ্টা করলেও ফিনিশে ছিলেন ব্যার্থ। বড় দুটি সুযোগ পান ফাহিম ও হামজা।

কিন্ত তাদের ফিনিশিং শটে বল জালে জড়ায়নি। রাকিব একাধিক সুযোগ পেয়ে গোল করতে পারেননি।

তারেক কাজীর করা হেডটাও কাজে লাগেনি। শেষ ১৫ মিনিটে একের পর এক কর্নার বাংলাদেশের।

কিন্ত তাতে কাজের কাজ হয়নি। বরং বার বার আক্রমণে এসেও ফিনিশিং দুর্বলতায় এই ম্যাচেও ভুগতে হয়েছে বাংলাদেশকে।

এছাড়া এক পেনাল্টি না পাওয়া পুড়িয়েছে বাংলাদেশ দলকে।

ছোটখাটো ভুলে বা অল্প ব্যাবধানে ম্যাচ হারার চিত্র এদেশের ফুটবলে নতুন নয়।

কিন্ত র‍্যাংকিং ও মানে এগিয়ে থাকা এরকম দলের সাথে এমন ফুটবল বাংলাদেশের প্রাপ্তি। আগামী দিনে ঘষে মেজে এই ফুটবল এগিয়ে যাক, বয়ে আনুক কাঙ্ক্ষিত ফল এমনটা প্রত্যাশা সবার।

- Advertisement -spot_img
- Advertisement -spot_img
Stay Connected
16,985FansLike
2,458FollowersFollow
61,453SubscribersSubscribe
Must Read
- Advertisement -spot_img
Related News
- Advertisement -spot_img

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here