ভুটানের বিপক্ষে গ্যালারিতে বসে ম্যাচ দেখেছেন। জাতীয় দলের হয়ে ট্রেনিং করেছেন গুটি কয়েক সেশন।
এরপর দলে অভিষেক সরাসরি। জামাল ভুইয়া দলে নেই, সেন্ট্রাল মিডে সোম। সেই সোমে যেন প্রথমার্থে বাংলাদেশের বড় প্রাপ্তি।
৪৫ মিনিট অব্দি ম্যাচের ফলে পিছিয়ে বাংলাদেশ।
তবে সেখানে ম্যাচে লড়াই করেছিল বাংলাদেশ। বিশেষ করে এদিন মাঝমাঠে ঝলক দেখায় বাংলাদেশ।
প্রতিপক্ষকে এই জায়গায় বেশ চাপে রাখে লাল সবুজের প্রতিনিধিরা। ফলে বিল্ডাপ করতে বারবার অসুবিধায় পড়ছিল সিঙ্গাপুর।
আর মাঝমাঠেই মুল নিয়ন্ত্রণ করেন সামিত সোম। মাঝমাঠে হৃদয়ের সাথে মিলে নিয়ন্ত্রণ করেন।
খুব কম সময়ই সিঙ্গাপুরকে সুযোগ দেন বল নিয়ে মাঝমাঠ দিয়ে খেলা চালানোর। এর ফাকে দুই উইঙ্গারদের জন্য বাড়িয়ে দেন একাধিক দারুণ বল।
তার বাড়ানো দারুণ এক বল থেকে ফাহমিদুল রান মেক করেন। কাট ইন করে ঢুকে গোল করতে যাওয়ার আগে তাকে ফাউল করে বাংলাদেশকে ফ্রিকিক দিতে বাধ্য হন সিঙ্গাপুরের ডিফেন্ডার। এছাড়া ডিবক্সে রাকিবকে ফাকায় এক বল বাড়িয়ে দেন।
মিলি সেকেন্ডের এদিক ওদিক হলে সে বল পেয়ে জালে জড়াতে পারতেন রাকিব।
এদিন আরো একবার ফাহমিদুলকে বল বাড়ান সামিত। তবে সে বলে ফাহমিদুল এর শট ব্লক করেন প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডার।
নাম্বার নাইন হিসেবে তেমন স্বাচ্ছন্দ্যে ছিলেন না রাকিব। সেখানে উইঙে চলে যান তিনি মাঝে মাঝে।
তখন তার পজিশন কাভার করে সুযোগ তৈরি করেন সোমিত। তবে প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডার বল ক্লিয়ার করলে ভেস্তে যায় সেই সুযোগ।
এদিন কিছুটা নেমে খেলেন হামজা চৌধুরি। যে কারণে ডিফেন্স সামলে আগের মত লং বল বা মাঝমাঠ নিয়ন্ত্রণ করতে পারেননি হামজা। এই দায়িত্ব কাধে নেন সোমিত। আক্রমভাগে তিনি সুযোগ তৈরি করেন। তবে নাম্বার নাইনের অভাব কিছুটা ভোগায় বাংলাদেশ দলকে। কিন্ত সামিত দেখান নিজের জাত।
কানাডা লীগে খেলেন, সেখানে পারফর্ম করেন নিয়মিত। মাঝমাঠ দিয়ে কিভাবে দলের আক্রমণে ভুমিকা রাখা যায়, সেটাই প্রথম ম্যাচে বারবার দেখালেন সামিত।
এই সামিত এমন খেলা দীর্ঘদিন দিয়ে বাংলাদেশের ফুটবল এগিয়ে নিয়ে যাক, এমন স্বপ্ন থাকবে ভক্তদের।




