বিশ্বকাপের বাকি আর মাত্র ২ দিন,আগামী ৭ তারিখই মাঠে গড়াচ্ছে বিশ্বকাপ।তবে এখনো জলঘোলা হচ্ছে পাকিস্তান -বাংলাদেশ-ভারত ইস্যু নিয়ে।
পাকিস্তান সরকারের সিদ্ধান্তের পর একদিকে যেমন পাকিস্তানকে অনুরোধ করছে আইসিসি।অন্যদিকে নানানভাবে করছে সতর্কও।
সতর্ক করে বলা হয়েছে, আইসিসি পাকিস্তানের বার্ষিক রাজস্বের পুরো অংশ আটকে রাখতে পারে এবং সেই অর্থ থেকে সম্প্রচারকদের ক্ষতিপূরণ দিতে পারে।
বার্তা সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী এই রাজস্বের পরিমাণ প্রায় ৩ কোটি ৫০ লাখ ডলার,যা বাংলাদেশী টাকায় ৪২৭ কোটি টাকা প্রায়।
পিসিবির সূত্র আরও জানায়, গত সপ্তাহে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সঙ্গে সাক্ষাতের আগে পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি বোর্ডের আইন বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে পরামর্শ করেন। তবে পিসিবি এখন নাকি গুরুতর শাস্তির জন্য প্রস্তুত।
পিটিআইকে পিসিবির সূত্র বলেন, ‘পাকিস্তান যদি ভারতের বিপক্ষে খেলতে না নামে, তাহলে শুধু আর্থিক জরিমানা বা সম্প্রচারকদের মামলার ঝুঁকিই নয়, আইসিসির ডিসপিউট রেজোল্যুশন কমিটিতে যেকোনো চেষ্টাও ব্যর্থ হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।’
আইসিসির ডিআরসি একটি অভ্যন্তরীণ কমিটি, যা আইসিসির নিজস্ব বোর্ডের নেওয়া সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কোনো আপিল শোনে না।
নাকভির কর্মকান্ড ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করা বোর্ডের সূত্র বলেন, ‘ভারতের বিপক্ষে না খেলার বিষয়ে সরকারের নির্দেশ থাকলেও পিসিবি সমস্যায় পড়তে পারে। কারণ, তারা নিজেদের ইচ্ছাতে সব ম্যাচ নিরপেক্ষ ভেন্যুতে খেলছে, ভারতে নয়।’
সূত্র আরও বলেন, ‘দ্বিতীয়ত, ভারত সরকার তাদের দলকে পাকিস্তানে খেলার অনুমতি না দিলেও এশিয়া কাপ বা আইসিসি ইভেন্টে নিরপেক্ষ ভেন্যুতে পাকিস্তানের বিপক্ষে খেলতে তাদের কখনোই বাধা দেয়নি, এমনকি গত মে মাসের সংঘাতের পরও।’
আইসিসির সব ইভেন্টের জন্য ব্রডকাস্টারদের সাথে চুক্তি রয়েছে। এক্ষেত্রে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ না হলে চুক্তি ভঙ্গের অভিযোগে আইনি লড়াইয়ের সুযোগ রয়েছে সম্প্রচারকদের।
সূত্রটি আরও বলেন, ‘যখন আইসিসি সমস্ত ইভেন্টের জন্য সম্প্রচারকের সঙ্গে চার বছরের চুক্তি করেছিল, সেই চুক্তিতে পাকিস্তান ও ভারতের ম্যাচও অন্তর্ভুক্ত ছিল, যার ভিত্তিতে সম্প্রচারকরা আইসিসিকে অর্থ প্রদান করেছে।
সুতরাং চুক্তি ভঙ্গ হওয়ায় পিসিবি ও আইসিসিকে আদালতে তোলার আইনি অধিকার রয়েছে সম্প্রচারকদের।’
অন্যদিকে,
গালফ নিউজ জানাচ্ছে, ২০২৬ টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে পাকিস্তানের ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্তের পর মধ্যস্থতা করতে একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে নিযুক্ত করেছে আইসিসি। আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি কলম্বোতে সূচি থাকা ম্যাচে পাকিস্তানকে খেলতে পিসিবিকে রাজি করানো তার দায়িত্ব।




